১/২৬. অধ্যায়ঃ
অন্যায়-অত্যাচার করা হারাম এবং অন্যায়ভাবে নেওয়া জিনিস ফেরৎ দেওয়া জরুরী
আল্লাহ তা’আলা বলেন,﴿مَا لِلظَّٰلِمِينَ مِنۡ حَمِيمٖ وَلَا شَفِيعٖ يُطَاعُ ﴾ [غافر: ١٨]অর্থাৎ “সীমালংঘনকারীদের জন্য অন্তরঙ্গ কোন বন্ধু নেই এবং এমন কোন সুপারিশকারীও নেই যার সুপারিশ গ্রাহ্য করা হবে।” (সূরা মুমিন ১৮ আয়াত)﴿ وَمَا لِلظَّٰلِمِينَ مِن نَّصِيرٖ ﴾ [الحج: ٧١]অর্থাৎ “যালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।” (সূরা হাজ্জ ৭১ আয়াত)হাদীসসমূহ:এই পরিচ্ছেদে আবূ যার্র রাদিয়াল্লাহু ’আনহু-এর (১১৩নং) হাদীসটিও উল্লেখ্য, যেটি ’মুজাহাদাহ’ পরিচ্ছেদের শেষে বর্ণিত হয়েছে।
রিয়াদুস সলেহিন : ৪/২১১
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ৪/২১১
وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ الله عَنهَا : أَنَّ رَسُولَ الله صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ ظَلَمَ قَيدَ شِبْرٍ مِنَ الأرْضِ، طُوِّقَهُ مِنْ سَبْعِ أرَضِينَ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ’’যে ব্যক্তি কারো জমি এক বিঘত পরিমাণ অন্যায়ভাবে দখল করে নেবে, (কিয়ামতের দিন) সাত তবক (স্তর) যমীন তার গলায় লটকে দেওয়া হবে।’’[১]
সহীহুল বুখারী ২৪৫৩, ৩১৯৫, মুসলিম ১৬১২, আহমাদ ২৩৮৩২, ২৫৬১২, ২৫৬৯২
