১/৪৪. অধ্যায়ঃ
উলামা, বয়স্ক ও সম্মানী ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা করা, তাঁদেরকে অন্যান্যদের উপর প্রাধান্য দেওয়া, তাঁদের উচ্চ আসন দেওয়া এবং তাঁদের মর্যাদা প্রকাশ করার বিবরণ
আল্লাহ তা’আলা বলেন,﴿قُلۡ هَلۡ يَسۡتَوِي ٱلَّذِينَ يَعۡلَمُونَ وَٱلَّذِينَ لَا يَعۡلَمُونَۗ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ ﴾ [الزمر: ٩]অর্থাৎ “বল, যারা জানে এবং যারা জানে না তারা কি সমান? বুদ্ধিমান লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে।” (সূরা যুমার ৯ আয়াত)
রিয়াদুস সলেহিন : ৯/৩৬০
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ৯/৩৬০
وَعَنْ مَيْمُوْنَ بْنِ أَبِيْ شَبِيْبٍ رَحِمَهُ اللهُ أَنَّ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا مَرَّ بِهَا سَائِلٌ، فَأَعْطَتْهُ كِسْرَةً، وَمَرَّ بِهَا رَجُلٌ عَلَيْهِ ثِيَابٌ وهَيْئَةٌ، فَأَقْعَدََتْهُ، فَأَكَلَ فَقِيْلَ لَهَا فِيْ ذٰلِكَ ؟ فَقَالَتْ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: « أَنْزِلُوْا النَّاسَ مَنَازِلَهُمْ»رواه أبو داود . لٰكِنْ قَالَ : مَيْمُوْنُ لَمْ يُدْرِكْ عَائِشَةَ .وَقَدْ ذَكَرَهُ مُسْلِمٌ فِيْ أَوَّلِ صَحِيْحِهِ تَعْلِيْقاً فَقَالَ : وَذُكَرَ عَنْ عائِشَةَ رَضِيَ اللَّه عَنْهَا قَالَتْ: أَمَرَنَا رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ نُنْزِلَ النَّاسَ مَنَازِلَهُمْ، وَذَكَرَهُ الْحَاكِمُ أَبُوْ عَبْدِ اللهِ فِيْ كِتابِهِ: «مَعْرْفَةُ عُلُوْمِ الْحَدِيْثِ»وقال : هو حديثٌ صحيحقلت: بل ضعيف: ] فيه علتان : الانقطاع ، وتدليس حبيب بن أبي ثابت [ . ذآره مسلم في أول صحيح تعليقافقالت : وذآر عن عائشة رضي االله عنها قالت : أمرنا رسول االله صلى االله عليه وسلم أن ننزل الناس منازلهم
মাইমুন ইবনু আবি শাবীব রাহিমাহুল্লাহু হতে বর্ণিতঃ
’আয়েশা (রাঃ)া-এর সামনে দিয়ে একজন ভিক্ষুক যাচ্ছিল। তিনি তাকে এক টুকরা রুটি প্রদান করলেন। আবার তার সম্মুখ দিয়ে সজ্জিত পোশাকে এক ব্যক্তি যাচ্ছিল। তাকে তিনি বসালেন এবং খাবার খাওয়ালেন। এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি উত্তরে বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : “মানুষকে তার মর্যাদা অনুযায়ী স্থান দাও।” হাদীসটি ইমাম আবূ দাউদ উদ্ধৃত করেছেন। কিন্তু বলেছেন, আয়িশাহ (রাঃ)া-এর সঙ্গে মাইমুনের সাক্ষাৎ হয়নি।ইমাম মুসলিম তার সহীহ হাদীস গ্রন্থে এটাকে মু’আল্লাক হাদীস হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ’আয়িশাহ (রাঃ)া বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ’’আমাদেরকে আদেশ করেছেন মানুষকে তার পদমর্যাদা অনুযায়ী স্থান দিতে’’। এ হাদীসটি ইমাম হাকিম আবূ ’আবদুল্লাহ (রাহ:) তার ’’মারিফাতু উলুমিল হাদীস’’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন এটি সহীহ হাদীস।[১]
আমি (আলবানী) বলছিঃ হাকিম আবূ আব্দিল্লাহ্ তার ‘‘মা‘রিফাতু উলূমিল হাদীস’’ গ্রন্থে যে, বলেছেন : হাদীসটি সহীহ্। কিন্তু তিনি যেরূপ বলেছেন আসলে হাদীসটি সেরূপ নয়, এর সনদে বিচ্ছিন্নতা থাকার কারণে। যেমনটি আমি ‘‘আল মিশকাত’’ গ্রন্থে (তাহ্ক্বীক সানীতে - ৪৯৮৯) আলোচনা করেছি। আবূ দাঊদ (নিজেই) বলেনঃ বর্ণনাকারী মাইমূন আয়েশাকে পাননি। আরও দেখুনঃ সিলসিলাহ যয়ীফাহ ১৮৯৪নং)
