৩/১১৬. অধ্যায়ঃ

পান-পাত্রের বিবরণ (সব ধরনের পাক পাত্রে পান করা জায়েজ। সোনা রুপার পাত্র ছাড়া সকল প্রকার পাক পবিত্র পাত্রে পান করা বৈধ। কোন ধরনের পাত্র বা হাত না ব্যবহার করে সরাসরি মুখ দিয়ে নদী বা ঝর্না ইত্যাদি থেকে পান করা বৈধ, সোনা রুপার পাত্রে পানাহার, ওজু ও অন্যান্য সব ধরনের ব্যবহার হারাম)

সোনা-রূপা ছাড়া সমস্ত পবিত্র পানপাত্রে পান করা জায়েয। আর বিনা পাত্রে ও হাত না লাগিয়ে সরাসরি নদী ইত্যাদির পানিতে মুখ লাগিয়ে পান করা বৈধ এবং পানাহার, ওযূ তথা সমস্ত কাজে সোনা-রূপার পাত্র ব্যবহার হারাম।

রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ১/৭৭৮

وَعَن أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: حَضَرَتِ الصَّلاَةُ فَقَامَ مَن كَانَ قَريبَ الدَّارِ إِلَى أهْلِهِ، وبَقِيَ قَوْمٌ، فَأُتِيَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم بِمَخْضَبٍ مِنْ حِجَارَةٍ، فَصَغُرَ المَخْضَبُ أنْ يَبْسُطَ فِيهِ كَفَّهُ، فَتَوَضَّأَ القَوْمُ كُلُّهُمْ . قَالُوا: كَمْ كُنْتُمْ ؟ قَالَ: ثَمَانِينَ وَزِيَادَةً . متفق عَلَيْهِ، هذه رواية البخاريوفي رواية لَهُ ولمسلم: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَعَا بِإِنَاءٍ مِنْ مَاءٍ، فَأُتِيَ بِقَدَحٍ رَحْرَاحٍ فِيهِ شَيْءٌ مِنْ ماءٍ، فَوَضَعَ أصابعَهُ فِيهِ . قَالَ أنسٌ: فَجَعلْتُ أنْظُرُ إِلَى الماءِ يَنْبُعُ مِنْ بَيْن أصَابِعِهِ، فَحَزَرْتُ مَنْ تَوضَّأ مَا بَيْنَ السَّبْعِينَ إِلَى الثَّمَانينَ .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, ’একবার নামাযের সময় উপস্থিত হলে যাঁদের বাড়ি কাছে ছিল, তাঁরা (ওজু করার জন্য) বাড়ি গেলেন। আর কিছু লোক থেকে গেলেন (তাঁদের কোন ওযূর ব্যবস্থা ছিল না)। সুতরাং আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এর কাছে একটি পাথরের পাত্রে পানি আনা হল। পাত্রটি এত ছোট ছিল যে, তার মধ্যে তাঁর মুঠি খোলাও মুশকিল ছিল। তা থেকেই সমস্ত লোক ওজু করলেন।’ (আনাসকে উপস্থিত) লোকেরা জিজ্ঞাসা করল, ’আপনারা কতজন ছিলেন?’ তিনি বললেন, ’আশিজনেরও বেশি।’ (বুখারী-মুসলিম, এটি বুখারীর বর্ণনা)[১]বুখারীর অন্য এক বর্ণনায় এবং মুসলিমের বর্ণনায় আছে যে, নবী (ﷺ) একটি পানির পাত্র চাইলেন। সুতরাং তাঁর জন্য প্রশস্ত একটি অগভীর পেয়ালা আনা হল, যাতে সামান্য পানি ছিল। তারপর তিনি স্বীয় আঙ্গুলগুলি ঐ পানিতে রাখলেন। আনাস (রাঃ) বললেন, ’আমি তাঁর আঙ্গুলসমুহের ফাঁক দিয়ে পানির ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হতে দেখছিলাম। অনুমান করে দেখলাম, ওজুকারীদের সংখ্যা প্রায় সত্তর থেকে আশিজনের মাঝামাঝি ছিল।’

সহীহুল বুখারী ১৬৯, ৩৫৭৪, মুসলিম ২২৭৯, তিরমিযীঃ ৩৬৩১, নাসায়ী ৭৬৭৮, আহমাদ ১১৯৩৯, ১১৯৯৩, ১২০০৪, ১২০৮৮, ১২২৮৩, ১২৩১৬, ১২৩৩১, ১২৩৮৩, ১২৮৩২, ১২৮৫৪, ১৩১৮৩, ১৩৬৬৭, মুওয়াত্তা মালেক ৬৪

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন