অমুসলিমদের উত্তরাধিকার
মোট হাদিস ১২
অমুসলিম ও ভিন্ন ধর্মের মানুষের উত্তরাধিকার নিয়ে ইসলামের নির্দেশনা
ইসলামিক শরিয়তে সম্পত্তির উত্তরাধিকার বন্টনের একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর বাণী থেকে জানা যায় যে, দুটি ভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা একে অপরের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী বা ওয়ারিস হতে পারে না। বর্ণিত সহিহ হাদিস অনুসারে, একজন মুসলিম কোনো কাফিরের বা অমুসলিমের সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করবে না, ঠিক তেমনি একজন অমুসলিম বা কাফির ব্যক্তিও কোনো মুসলিমের রেখে যাওয়া সম্পত্তির ওয়ারিস হতে পারবে না। আল্লাহর রাসুল (ﷺ) স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ধর্মীয় ভিন্নতা থাকলে সম্পত্তির পারস্পরিক উত্তরাধিকার কার্যকর হয় না। তবে এই ধর্মীয় দূরত্বের মাঝেও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে কুরাইশদের চুক্তি ও বনী হাশিম গোত্রের ওপর সামাজিক বয়কটের মতো কঠিন সময়গুলোতেও নবিজি (ﷺ) সত্যের ওপর অটল ছিলেন এবং শরিয়তের এই নিয়মটি বজায় রেখেছেন, যা মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি নির্দেশনা।
حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا حُصَيْنُ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " لاَ يَتَوَارَثُ أَهْلُ مِلَّتَيْنِ " .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ جَابِرٍ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
(ﷺ) বলেছেনঃ দুটি পৃথক ধর্মের অনুসারী পরস্পরের উত্তরাধিকারী হবে না।
আবু ঈসা (রহঃ) বলেন, আমরা এ হাদীস সম্বন্ধে শুধুমাত্র ইবনু আবূ লাইলার সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত হিসাবে জেনেছি।
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ حَبِيبٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لاَ يَتَوَارَثُ أَهْلُ مِلَّتَيْنِ شَتَّى».
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, দুটি ভিন্ন ধর্মের লোক পরস্পরের ওয়ারিস হয় না।
أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ لاَ يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلاَ الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মুসলিম কাফেরের উত্তরাধিকারী হয় না আর কাফেরও মুসলিমের উত্তরাধিকারী হয় না।
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «لاَ يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلاَ الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ».
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, মুসলিম ব্যক্তি কাফিরের এবং কাফির ব্যক্তি মুসলিমের উত্তরাধিকারী হবে না।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيْنَ تَنْزِلُ غَدًا فِي حَجَّتِهِ . قَالَ «وَهَلْ تَرَكَ لَنَا عَقِيلٌ مَنْزِلاً " . ثُمَّ قَالَ " نَحْنُ نَازِلُونَ بِخَيْفِ بَنِي كِنَانَةَ حَيْثُ تَقَاسَمَتْ قُرَيْشٌ عَلَى الْكُفْرِ " . يَعْنِي الْمُحَصَّبَ وَذَاكَ أَنَّ بَنِي كِنَانَةَ حَالَفَتْ قُرَيْشًا عَلَى بَنِي هَاشِمٍ أَنْ لاَ يُنَاكِحُوهُمْ وَلاَ يُبَايِعُوهُمْ وَلاَ يُئْوُوهُمْ. قَالَ الزُّهْرِيُّ وَالْخَيْفُ الْوَادِي.
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে হজে যাওয়ার পথে জিজ্ঞেস করি, হে আল্লাহর রাসূল! আগামীকাল সকালে কোথায় নামবেন? তিনি বললেন, আক্বীল কি আমাদের জন্য কোনো মনযিল অবশিষ্ট রেখেছে? পুনরায় তিনি বললেন, আমরা বনী কিনানাহর উপত্যকায় অবতরণ করবো; যেখানে বসে কুরাইশরা কুফরীর উপর অটল থাকার শপথ করেছিল- অর্থাৎ আল-মুহাস্সাব নামক জায়গায়। এখানেই বনী কিনানাহর লোকজন কুরাইশদেরকে বনী হাশিম গোত্রের বিরুদ্ধে ওয়াদাবদ্ধ করেছিল যে, তারা হাশিম গোত্রের সাথে কোনরূপ বৈবাহিক সম্পর্ক গড়বে না, তাদের সাথে ব্যবসা করবে না এবং তাদেরকে কোনরূপ সহযোগিতা করবে না।
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، رَفَعَهُ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «لاَ يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلاَ الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ».
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ মুসলমান ব্যক্তি কাফির ব্যক্তির ওয়ারিস হবে না এবং কাফিরও মুসলমানের ওয়ারিস হবে না।
[২৭২৯] ইবনু মাজাহ ২৭৩০, সহীহুল বুখারী ১৫৮৮, ৩০৮৯, ৪২৮৩, ৬৭৬৪, মুসলিম ১৩৫১, ১৬১৪, তিরমিযী ২১০৭, আবূ দাউদ ২০১০, ২৯০৯, ২৯১০, আহমাদ ২১২৪০, ২১২৪৫, ২১২৫৯, ২১৩০১, ২১৩১৩, মুয়াত্তা মালেক ১১০৪, দারেমী ২৯৯৭, ২৯৯৯, ৩০০০, ইরওয়া ১৬৭৫, সহীহ আবু দাউদ ২৫৮৪। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَنْبَأَنَا يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ عَمْرَو بْنَ عُثْمَانَ أَخْبَرَهُ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، أَنَّهُ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتَنْزِلُ فِي دَارِكَ بِمَكَّةَ قَالَ «وَهَلْ تَرَكَ لَنَا عَقِيلٌ مِنْ رِبَاعٍ أَوْ دُورٍ». وَكَانَ عَقِيلٌ وَرِثَ أَبَا طَالِبٍ هُوَ وَطَالِبٌ وَلَمْ يَرِثْ جَعْفَرٌ وَلاَ عَلِيٌّ شَيْئًا لأَنَّهُمَا كَانَا مُسْلِمَيْنِ وَكَانَ عَقِيلٌ وَطَالِبٌ كَافِرَيْنِ. فَكَانَ عُمَرُ مِنْ أَجْلِ ذَلِكَ يَقُولُ لاَ يَرِثُ الْمُؤْمِنُ الْكَافِرَ.وَقَالَ أُسَامَةُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لاَ يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلاَ الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ».
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! আপনি কি মক্কায় আপনার বাড়িতে অবস্থান করবেন? তিনি বলেনঃ আকীল কি আমাদের জন্য কোনো ঘর-বাড়ি বা ঠিকানা অবশিষ্ট রেখেছে? (রাবী বলেন,) আকীল ও তালিবই আবু তালিবের ওয়ারিস হয়েছিল এবং জাফর (রাঃ) ও আলী (রাঃ) তার ওয়ারিস হননি। কেননা তাঁরা দু’জন তখন (আবু তালিবের মৃত্যুর সময়) মুসলমান ছিলো। আর আকীল ও তালিব ছিল কাফের (আকীল পরে মুসলমান হন)। এ কারণেই উমর (রাঃ) বলতেন, কোনো মুমিন কোনো কাফেরের ওয়ারিস হবে না। উসামা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মুসলমান কাফেরের ওয়ারিস হবে না এবং কাফেরও মুসলমানের ওয়ারিস হবে না।
[২৭৩০] ইবনু মাজাহ ২৭২৯, সহীহুল বুখারী ১৫৮৮, ৩০৮৯, ৪২৮৩, ৬৭৬৪, মুসলিম ১৩৫১, ১৬১৪, তিরমিযী ২১০৭, আবূ দাউদ ২০১০, ২৯০৯, ২৯১০, আহমাদ ২১২৪০, ২১২৪৫, ২১২৫৯, ২১৩০১, ২১৩১৩, মুয়াত্তা মালিক ১১০৪, দারেমী ২৯৯৭, ২৯৯৯, ৩০০০, বায়হাকী ফিস সুনান ৬/১২৮, ২৫৮, ইবনু হিব্বান ৬০৩৩, দারাকুতনী ৪/৬৯, ৭১, ইবনুল জারুদ ৯৫৪, সাঈদ বিন মানসুর ১৩৫, আস-সহীহ ১৭৫৪, ২৫৮৫। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ - وَاللَّفْظُ لِيَحْيَى - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ، حُسَيْنٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ «لاَ يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلاَ يَرِثُ الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ».
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তি কাফিরের ওয়ারিস হবে না এবং কাফিরও কোন মুসলিমের ওয়ারিস হবে না।
ই.ফা. ৫ম খণ্ড-৩৯৯৫, ই.সে. ৩৯৯৪
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي حَكِيمٍ الْوَاسِطِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، أَنَّ أَخَوَيْنِ، اخْتَصَمَا إِلَى يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ يَهُودِيٌّ وَمُسْلِمٌ فَوَرَّثَ الْمُسْلِمَ مِنْهُمَا وَقَالَ حَدَّثَنِي أَبُو الأَسْوَدِ أَنَّ رَجُلاً حَدَّثَهُ أَنَّ مُعَاذًا حَدَّثَهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ «الإِسْلاَمُ يَزِيدُ وَلاَ يَنْقُصُ " . فَوَرَّثَ الْمُسْلِمَ.
মু'আয (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একবার দুই সহোদর ভাই তাদের উত্তরাধিকারিত্ব নিয়ে ইয়াহিয়া ইবনু ইয়া'মুরের সম্মুখে ঝগড়ায় লিপ্ত হলো। তাদের একজন ছিল মুসলিম, অপরজন ইয়াহুদী। অতঃপর তিনি (ইয়াহইয়া ইবনু ইয়া'মুর) মুসলিম ব্যক্তিকেও উত্তরাধিকারী করলেন। তিনি বললেন, আবুল আসওয়াদ আমাকে জানান যে, এক ব্যক্তি তাঁকে বলেছেন, মু'আয (রাঃ) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, ইসলাম বৃদ্ধি করে, কমায় না। তারপর মুসলিম ব্যক্তিকে উত্তরাধিকারী করেন।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّ الْمُثَنَّى بْنَ الصَّبَّاحِ، أَخْبَرَهُ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " لاَ يَتَوَارَثُ أَهْلُ مِلَّتَيْنِ " .
আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ দু’ ভিন্ন ধর্মের লোক পরস্পরের ওয়ারিস হবে না।
[২৭৩১] আবূ দাউদ ২৯১১, আহমাদ ৬৬২৬, ৬৮০৫, ইরওয়া ৬/১২০-১২১, আস-সহীহ ২৫৮৬, মিশকাত ৩০৪৬-৩০৪৭। তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী১. ইবনু লাহীআহ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তার হাদিসের ব্যাপারে কোন সমস্যা নেই। আমর বিন ফাল্লাস বলেন, তার কিতাব সমূহ পুড়ে যাওয়ায় হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। কিতাব সমূহ পুড়ে যাওয়ায় যে হাদিস বর্ণনা করেছেন তা দুর্বল। আবু কাসিম বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। আবু বকর আল-বায়হাকী বলেন, তার হাদিস দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। আবু হাতিম আর-রাযী তাকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার কিতাব সমূহ পুড়ে যাওয়ার পর হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। বিশর ইবনুস সারী বলেন, যদি তার সাথে আমার সাক্ষাৎ হত তবে আমি তার থেকে কোন হাদিস গ্রহণ করতাম না। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৫১৩, ১৫/৪৮৭ নং পৃষ্ঠা)২. মুসান্না ইবনুস সাব্বাহ সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, পূর্ব ইমামগণ তাকে দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী ও ইমাম তিরমিযি বলেন, তিনি যাচাই-বাছাই ছাড়া হাদিস গ্রহণ করেন ও তা বর্ণনা করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৭৭৩, ২৭/২০৩ নং পৃষ্ঠা)
