জাদুর নিষেধাজ্ঞা
মোট হাদিস ০৩
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ مَيْسَرَةَ الْمَنْقَرِيُّ، عَنْ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «مَنْ عَقَدَ عُقْدَةً، ثُمَّ نَفَثَ فِيهَا فَقَدْ سَحَرَ، وَمَنْ سَحَرَ فَقَدْ أَشْرَكَ، وَمَنْ تَعَلَّقَ شَيْئًا وُكِلَ إِلَيْهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি গিট দিয়ে তাতে ফুঁ দেয়, সে যাদু করল, আর যে যাদু করল, সে শিরক করল। আর যে ব্যক্তি তা'বীয-কবজ ঝুলায়, তাকে সেই জিনিসের উপর ন্যস্ত করা হয়।
أَخْبَرَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، عَنْ الْأَعْمَشِ، عَنْ ابْنِ حَيَّانَ يَعْنِي يَزِيدَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ قَالَ: «سَحَرَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ مِنَ الْيَهُودِ، فَاشْتَكَى لِذَلِكَ أَيَّامًا، فَأَتَاهُ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَالَ: إِنَّ رَجُلًا مِنَ الْيَهُودِ سَحَرَكَ، عَقَدَ لَكَ عُقَدًا فِي بِئْرِ كَذَا وَكَذَا، فَأَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَاسْتَخْرَجُوهَا، فَجِيءَ بِهَا، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَأَنَّمَا نُشِطَ مِنْ عِقَالٍ، فَمَا ذَكَرَ ذَلِكَ لِذَلِكَ الْيَهُودِيِّ، وَلَا رَآهُ فِي وَجْهِهِ قَطُّ "
যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ইয়াহূদী নবী (ﷺ)-কে যাদু করেছিল, যে কারণে কয়েকদিন তিনি রোগাক্রান্ত ছিলেন। এরপর জিবরীল (আঃ) তাঁর কাছে এসে বললেন: ইয়াহূদীদের একজন আপনার ওপর যাদু করেছে। গিরা দিয়ে তা অমুক অমুক কূপের মধ্যে রেখেছে। তিনি (ﷺ) সেখানে লোক পাঠালেন, তারা তা বের করে আনল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমনভাবে দাঁড়ালেন যেন তিনি বন্ধনমুক্ত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঐ ইয়াহূদীর নিকট এ বিষয়ে কোন জিজ্ঞাসাবাদ করলেন না, আর ঐ ইয়াহূদীও কখনো তাঁর চেহারায় এর লক্ষণ দেখতে পেল না।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، عَنْ ابْنِ إِدْرِيسَ قَالَ: أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ قَالَ: قَالَ يَهُودِيٌّ لِصَاحِبِهِ: اذْهَبْ بِنَا إِلَى هَذَا النَّبِيِّ، قَالَ لَهُ صَاحِبُهُ: لَا تَقُلْ نَبِيٌّ، لَوْ سَمِعَكَ كَانَ لَهُ أَرْبَعَةُ أَعْيُنٍ، فَأَتَيَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسَأَلَاهُ عَنْ تِسْعِ آيَاتٍ بَيِّنَاتٍ، فَقَالَ لَهُمْ: «لَا تُشْرِكُوا بِاللَّهِ شَيْئًا، وَلَا تَسْرِقُوا، وَلَا تَزْنُوا، وَلَا تَقْتُلُوا النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالْحَقِّ، وَلَا تَمْشُوا بِبَرِيءٍ إِلَى ذِي سُلْطَانٍ، وَلَا تَسْحَرُوا، وَلَا تَأْكُلُوا الرِّبَا، وَلَا تَقْذِفُوا الْمُحْصَنَةَ، وَلَا تَوَلَّوْا يَوْمَ الزَّحْفِ، وَعَلَيْكُمْ خَاصَّةً يَهُودُ أَنْ لَا تَعْدُوا فِي السَّبْتِ» فَقَبَّلُوا يَدَيْهِ وَرِجْلَيْهِ، وَقَالُوا: نَشْهَدُ أَنَّكَ نَبِيٌّ، قَالَ: «فَمَا يَمْنَعُكُمْ أَنْ تَتَّبِعُونِي؟» قَالُوا: إِنَّ دَاوُدَ دَعَا بِأَنْ لَا يَزَالَ مِنْ ذُرِّيَّتِهِ نَبِيٌّ، وَإِنَّا نَخَافُ إِنِ اتَّبَعْنَاكَ أَنْ تَقْتُلَنَا يَهُودُ
সাফওয়ান ইবনু আসসাল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ইয়াহূদী নিজ সঙ্গীকে বলল চল আমরা এই নবীর কাছে যাই। ইয়াহূদীর সঙ্গী বলল : তাকে নবী বলো না, যদি সে তোমার কথা শুনে, তবে খুশিতে সে আত্মহারা হয়ে যাবে। এরপর তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে তাঁকে নয়টি নিদর্শন সম্পর্কে প্রশ্ন করল (যা আল্লাহ তা'আলা মূসা (আঃ)-কে দান করেছিলেন)।তিনি (ﷺ) তাদেরকে বললেন: আল্লাহর সাথে শারীক করো না, চুরি করো না, যিনা করো না, আর যে জীবন আল্লাহ তা'আলা হারাম করেছেন, তাকে অন্যায়ভাবে হত্যা করো না, আর অন্যায়ভাবে শাস্তি দেয়ার জন্য কাউকে বিচারকের কাছে নিয়ে যেও না, যাদু করো না, সুদের লেনদেন করো না, পবিত্রা নারীদেরকে যিনার অপবাদ দিও না এবং জিহাদের মাঠে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে না। এই নয়টি আদেশ, আর একটি আদেশ তো তোমাদের ইয়াহুদীদের সাথে সম্পৃক্ত, তা এই যে, তোমরা শনিবারের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করবে না।এ কথা শুনে ঐ ইয়াহুদীদ্বয় তাঁর দু'হাত পায়ে চুমু খেল। আর তারা বলল : আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি অবশ্যই একজন নবী। তিনি বললেন : তবে কিসে তোমাদেরকে আমার অনুসরণ করতে বাধা দেয়? তারা বলল: দাউদ (আঃ) দোয়া করেছিলেন যে, তাঁর বংশে সর্বদা একজন নবী হবেন। আর আমরা ভয় করছি যে, যদি আমরা আপনার অনুসরণ করি, তাহলে ইয়াহুদীরা আমাদেরকে মেরে ফেলবে।
