আনুগত্যের শপথ (বাইয়াত)

মোট হাদিস ১২

ইসলামে আনুগত্যের শপথ বা বাইয়াত গ্রহণের নিয়ম ও গুরুত্ব

ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় আনুগত্যের শপথ বা বাইয়াত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সহিহ হাদিসের বিবরণ থেকে জানা যায়, সাহাবী হযরত জারীর (রাঃ) আল্লাহর রসূল (ﷺ)-এর নিকট সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা এবং প্রত্যেক মুসলিমের জন্য মনেপ্রাণে কল্যাণ কামনা করার শর্তে বাইয়াত গ্রহণ করেছিলেন। এ থেকে স্পষ্ট হয় যে, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও কল্যাণকামিতা ঈমানের অপরিহার্য অংশ। অন্যদিকে, মক্কা বিজয়ের পর হিজরতের বিশেষ মর্যাদা ও আবশ্যকতা সমাপ্ত হওয়ায় রাসুলুল্লাহ (ﷺ) নতুন আগমনকারীদের নিকট থেকে হিজরতের পরিবর্তে ইসলাম, ঈমান ও জিহাদের ওপর আনুগত্যের শপথ নিতেন। মুজাশী' (রাঃ) যখন তাঁর ভাইকে হিজরতের বাইয়াত দিতে নিয়ে আসেন, তখন নবীজী (ﷺ) পরিষ্কার করেন যে পূর্ববর্তী হিজরতের বরকত ও সময় অতিক্রান্ত হয়েছে, তবে দ্বীনের স্বার্থে ইসলাম ও জিহাদের পথ সর্বদা উন্মুক্ত। এই শিক্ষাগুলো আমাদের সমাজ গঠনে ও দ্বীনের প্রতি একনিষ্ঠ হতে সাহায্য করে।

قَالَ عُرْوَةُ فَأَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ كَانَ يَمْتَحِنُهُنَّ بِهَذِهِ الآيَةِ ﴾يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا جَاءَكُمُ الْمُؤْمِنَاتُ مُهَاجِرَاتٍ فَامْتَحِنُوهُنَّ } إِلَى ﴾غَفُورٌ رَحِيمٌ﴿. قَالَ عُرْوَةُ قَالَتْ عَائِشَةُ فَمَنْ أَقَرَّ بِهَذَا الشَّرْطِ مِنْهُنَّ قَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «قَدْ بَايَعْتُكِ». كَلاَمًا يُكَلِّمُهَا بِهِ، وَاللَّهِ مَا مَسَّتْ يَدُهُ يَدَ امْرَأَةٍ قَطُّ فِي الْمُبَايَعَةِ، وَمَا بَايَعَهُنَّ إِلاَّ بِقَوْلِهِ.

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তাদের মধ্যে যারা এই শর্তে রাজী হতো তাকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুধু এ কথা বলতেন, ‘আমি তোমাকে বায়‘আত করলাম। আল্লাহ্‌র কসম! বায়‘আত গ্রহণে তাঁর হাত কখনো কোন নারীর হাত স্পর্শ করেনি। তিনি তাদের শুধু কথার মাধ্যমে বায়‘আত করেছেন।

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كُنَّا نُبَايِعُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَلَى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ فَيَقُولُ لَنَا «فِيمَا اسْتَطَعْتُمْ».قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ كِلاَهُمَا .

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট (নির্দেশ) শুনার ও সে মোতাবেক আনুগত্যের শপথ নিতাম। তিনি আমাদের বলতেনঃ তোমাদের পক্ষে যতটুকু সম্ভব।

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্‌ বলেছেন। উভয় হাদীসের অর্থই সঠিক। কেননা তাঁর নিকট প্রয়োজনবোধে মৃত্যুবরণের জন্য তাঁর একদল সাহাবী শপথ (বাই’আত) করেছেন। তারা বলেছেন, ‘আমরা মৃত্যুবরণ করার পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত আপনার আগে আগে প্রতিরক্ষা রচনা করে চলব’। সাহাবীদের অন্য দল তাঁর নিকট প্রাণভয়ে যুদ্ধক্ষেত্র হতে না পালানোর শপথ করেছেন।

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّهُ قَالَ جَاءَ عَبْدٌ فَبَايَعَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَلَى الْهِجْرَةِ وَلاَ يَشْعُرُ النَّبِيُّ ﷺ أَنَّهُ عَبْدٌ فَجَاءَ سَيِّدُهُ فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ «بِعْنِيهِ» . فَاشْتَرَاهُ بِعَبْدَيْنِ أَسْوَدَيْنِ وَلَمْ يُبَايِعْ أَحَدًا بَعْدُ حَتَّى يَسْأَلَهُ أَعَبْدٌ هُوَ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ جَابِرٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ صَحِيحٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي الزُّبَيْرِ .

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট একজন গোলাম এসে হিজরতের শপথ নিল। সে যে গোলাম তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জানতেন না। তার মনিব এসে উপস্থিত হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেনঃ আমার নিকট একে বিক্রয় করে দাও। তিনি দুটি কালো গোলামের বিনিময়ে তাকে কিনলেন। এরপর হতে তিনি কোন লোককে শপথ করাতেন না সে গোলাম কি-না তা প্রশ্ন না করা পর্যন্ত।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব সহীহ্‌ বলেছেন। আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র আবুয যুবাইরের সূত্রে জেনেছি।

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأُمَوِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: ﴾لَقَدْ رَضِيَ اللَّهُ عَنِ الْمُؤْمِنِينَ إِذْ يُبَايِعُونَكَ تَحْتَ الشَّجَرَةِ ) قَالَ جَابِرٌ بَايَعْنَا رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَلَى أَنْ لاَ نَفِرَّ وَلَمْ نُبَايِعْهُ عَلَى الْمَوْتِ .قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ وَابْنِ عُمَرَ وَعُبَادَةَ وَجَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ عِيسَى بْنِ يُونُسَ عَنِ الأَوْزَاعِيِّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ قَالَ جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ وَلَمْ يُذْكَرْ فِيهِ أَبُو سَلَمَةَ .

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

হতে আল্লাহ্‌ তা‘আলার এই বাণী প্রসঙ্গে বর্ণিত আছেঃ “আল্লাহ্‌ তা‘আলা অবশ্যই মুমিন লোকদের উপর সন্তুষ্ট হয়েছেন যখন গাছের নিচে তোমার নিকট তারা শপথ করছিল। তাদের অন্তরের অবস্থা তাঁর জানা ছিল। এজন্যই তাদের উপর তিনি প্রশান্তি অবতীর্ণ করেন এবং তাদেরকে নিকটবর্তী বিজয় দান করেন” (সূরাঃ ফাতহ-১৮)।জাবির (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট আমরা শপথ করলাম (প্রতিজ্ঞা করলাম) যে, আমরা যুদ্ধক্ষেত্র হতে পালাবো না। কিন্তু আমরা তাঁর নিকট মৃত্যুর বাই’আত করিনি।

সালামা ইবনুল আকওয়া, ইবনু উমার, উবাদা ও জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি অন্য একটি সূত্রেও বর্ণিত আছে। কিন্তু আবূ সালামার নাম তাতে উল্লেখ নেই।

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ لَمْ نُبَايِعْ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَلَى الْمَوْتِ إِنَّمَا بَايَعْنَاهُ عَلَى أَنْ لاَ نَفِرَّ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَمَعْنَى كِلاَ الْحَدِيثَيْنِ صَحِيحٌ قَدْ بَايَعَهُ قَوْمٌ مِنْ أَصْحَابِهِ عَلَى الْمَوْتِ وَإِنَّمَا قَالُوا لاَ نَزَالُ بَيْنَ يَدَيْكَ حَتَّى نُقْتَلَ وَبَايَعَهُ آخَرُونَ فَقَالُوا لاَ نَفِرُّ .

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট আমরা কোন সময়ই মৃত্যুর শপথ করিনি, বরং আমরা তাঁর নিকট যুদ্ধক্ষেত্র হতে পালিয়ে না যাওয়ার শপথ করেছি।

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلاَقَةَ، قَالَ سَمِعْتُ جَرِيرًا ـ رضى الله عنه ـ يَقُولُ بَايَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ فَاشْتَرَطَ عَلَىَّ وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ.

জারীর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি জারীর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি নবী (ﷺ)-এর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করলাম। তিনি আমার উপর প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনার শর্তারোপ করলেন।

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنِي قَيْسُ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ بَايَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَلَى إِقَامِ الصَّلاَةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ.

জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি সালাত কায়িম করার, যাকাত প্রদান করার এবং প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনা করার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট বাই‘আত করেছি।

حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ فِي خُطْبَتِهِ «أَوْفُوا بِحِلْفِ الْجَاهِلِيَّةِ فَإِنَّهُ لاَ يَزِيدُهُ يَعْنِي الإِسْلاَمَ إِلاَّ شِدَّةً وَلاَ تُحْدِثُوا حِلْفًا فِي الإِسْلاَمِ» .قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَأُمِّ سَلَمَةَ وَجُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَقَيْسِ بْنِ عَاصِمٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .

আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর এক খুতবায় বলেনঃ জাহিলী আমলের চুক্তিসমূহকে তোমরা পূর্ণ কর। কেননা ইসলাম এটাকে আরো মজবুত করবে। তোমরা আর নতুন করে ইসলামে একইরকম চুক্তি করবে না।

আবদুর রাহ্‌মান ইবনু আওফ, উম্মু সালামা, জুবাইর ইবনু মুতঈম, আবূ হুরাইরা, ইবনু আব্বাস ও কাইস ইবনু আসিম (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ، قَالَ قُلْتُ لِسَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ عَلَى أَىِّ شَيْءٍ بَايَعْتُمْ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَوْمَ الْحُدَيْبِيَةِ قَالَ عَلَى الْمَوْتِ .هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .

ইয়াযীদ ইবনু আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, সালামা ইবনুল আকওয়া (রাঃ)-কে আমি প্রশ্ন করলামঃ হুদাইবিয়ার দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট আপনারা কি বিষয়ে শপথ করেছিলেন? তিনি বললেন, মৃত্যুর শপথ করেছিলাম (যে পর্যন্ত জীবন থাকবে যুদ্ধ করতে থাকব, পালিয়ে যাবো না)।

এ হাদীসটি হাসান সহীহ্‌।

عَمْرُوْ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ عَنْ أَبِيْ عُثْمَانَ قَالَ حَدَّثَنِيْ مُجَاشِعٌ قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ ﷺ بِأَخِيْ بَعْدَ الْفَتْحِ قُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ جِئْتُكَ بِأَخِيْ لِتُبَايِعَهُ عَلَى الْهِجْرَةِ قَالَ ذَهَبَ أَهْلُ الْهِجْرَةِ بِمَا فِيْهَا فَقُلْتُ عَلَى أَيِّ شَيْءٍ تُبَايِعُهُ قَالَ أُبَايِعُهُ عَلَى الإِسْلَامِ وَالإِيْمَانِ وَالْجِهَادِ فَلَقِيْتُ مَعْبَدًا بَعْدُ وَكَانَ أَكْبَرَهُمَا فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ صَدَقَ مُجَاشِعٌ.>

মুজাশি‘ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

মাক্কাহ বিজয়ের পর আমি আমার ভাই (মুজালিদ)-কে নিয়ে নবী (সাঃ)-এর কাছে এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার ভাইকে আপনার কাছে নিয়ে এসেছি যেন আপনি তাঁর নিকট হতে হিজরাত করার ব্যাপারে বাই'আত গ্রহণ করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, (মাক্কাহ বিজয়ের পূর্বে মাক্কাহ থেকে মাদীনাহয়) হিজরাতকারীরা হিজরতের সমুদয় বারাকাত নিয়ে গেছে। আমি বললাম, তা হলে কোন্ বিষয়ের উপর আপনি তাঁর নিকট হতে বাই'আত গ্রহণ করবেন? তিনি বললেন, আমি তাঁর নিকট হতে বাই'আত গ্রহণ করব ইসলাম, ঈমান ও জিহাদের উপর।[বর্ণনাকারী আবূ 'উসমান (রাঃ) বলেছেন] পরে আমি আবূ মা'বাদ-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি ছিলেন তাঁদের দু'ভাইয়ের মধ্যে বড়। আমি তাঁকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, মুজাশি' (রাঃ) সত্যই বলেছেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন