৩/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ১৮ - আমানত ফেরত ও খিয়ানত না করা
আত্মসাৎ
আমানত ফেরত দাও, খিয়ানতের জবাবে খিয়ানত করো না
ঊপদেশ : ১৮
ঊপদেশহাদিস নম্বর ১৮
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ أَدِّ الْأَمَانَةَ إِلَى مَنْ ائْتَمَنَكَ وَلاَ تَخُنْ مَنْ خَانَكَ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তোমার কাছে আমানত রেখেছে তাকে সময় মত আমানত বুঝিয়ে দাও। আর যে তোমার সাথে খিয়ানত করে তার খিয়ানত করো না‘
(তিরমিযী, আবুদাঊদ, দারেমী, মিশকাত হা/২৯৩৪)।
ঊপদেশ হাদিস ১৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুব সহজ কিন্তু গভীর একটি নিয়ম শিখিয়েছেন। যে ব্যক্তি তোমার কাছে আমানত রেখেছে, তাকে সময়মতো আমানত বুঝিয়ে দাও। আর যে তোমার সঙ্গে খিয়ানত করে, তার সঙ্গে তুমি খিয়ানত করো না। এখানে আমানতদারি ও নৈতিকতার বড় শিক্ষা আছে। কেউ অন্যায় করলেই তার মতো অন্যায় করা মুসলিমের আচরণ নয়। আমানত ফেরত দেওয়া মানুষের হক। আর খিয়ানতের জবাবে খিয়ানত না করা চরিত্রের শক্তি দেখায়। এই হাদিস ব্যবসা, সম্পর্ক, দায়িত্ব, টাকা-পয়সা, কথা বা কোনো জিনিসের হেফাজত—সব জায়গায় কাজে লাগে। মুসলিমের পরিচয় হলো সে নিজের দায়িত্ব ঠিক রাখে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যে আমানত রাখে, তাকে আমানত ফেরত দেওয়া জরুরি।
- অন্য কেউ খিয়ানত করলেও নিজে খিয়ানত করা ঠিক নয়।
- আমানতদারি মানুষের হক রক্ষার শিক্ষা দেয়।
- ভালো চরিত্র অন্যের খারাপ আচরণের ওপর নির্ভর করে না।
