১১/৪২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮৫০ - মুহরিম অবস্থায় শিকার ফেরত
মুহরিম ব্যক্তির পঙ্গপাল শিকার করা প্রসঙ্গে
ইহরামে শিকারি গোশত গ্রহণ না করার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ১৮৫০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৮৫০
دَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ يَا زَيْدُ بْنَ أَرْقَمَ هَلْ عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ أُهْدِيَ إِلَيْهِ عُضْوُ صَيْدٍ فَلَمْ يَقْبَلْهُ وَقَالَ " إِنَّا حُرُمٌ " . قَالَ نَعَمْ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হে যায়িদ ইবনু আরক্বাম! তুমি কি জানো যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে একটি শিকারী প্রাণীর এক টুকরা গোশত হাদিয়া দেয়া হলে তিনি সেটা গ্রহণ না করে এই বলে ফেরত পাঠালেন যে, আমরা মুহরিম? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ।
[১৮৫০]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) জায়িদ ইবনু আরকাম (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কি জানেন যে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে একটি শিকারি প্রাণীর এক টুকরো গোশত হাদিয়া দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি। কারণ হিসেবে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, “আমরা মুহরিম।” জায়িদ (রাঃ) উত্তরে বলেন, হ্যাঁ। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো, ইহরাম অবস্থায় শিকারজাত গোশত গ্রহণের ব্যাপারে সতর্কতা ছিল। এখানে কোনো সাধারণ খাদ্য নিষেধের কথা নয়; বরং শিকারি প্রাণীর গোশত ও মুহরিম অবস্থার সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় শিকারজাত গোশত গ্রহণে সতর্কতা দেখা যায়।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) কারণ হিসেবে মুহরিম অবস্থার কথা উল্লেখ করেছেন।
- সাহাবীরা গুরুত্বপূর্ণ বিধান একে অন্যের কাছে যাচাই করতেন।
- হাদিসটি সাধারণ খাবার নয়, শিকারি প্রাণীর গোশত নিয়ে।
