১১/৪২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮৫১ - স্থলভাগের শিকার খাওয়ার শর্ত
মুহরিম ব্যক্তির পঙ্গপাল শিকার করা প্রসঙ্গে
মুহরিমের জন্য স্থলভাগের শিকার খাওয়ার শর্ত
সুনানে আবূ দাউদ : ১৮৫১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৮৫১
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - يَعْنِي الإِسْكَنْدَرَانِيَّ الْقَارِيَّ - عَنْ عَمْرٍو، عَنِ الْمُطَّلِبِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ " صَيْدُ الْبَرِّ لَكُمْ حَلاَلٌ مَا لَمْ تَصِيدُوهُ أَوْ يُصَدْ لَكُمْ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ إِذَا تَنَازَعَ الْخَبَرَانِ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ يُنْظَرُ بِمَا أَخَذَ بِهِ أَصْحَابُهُ .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি : স্থলভাগের শিকার করা পশুর গোশত তোমাদের জন্য খাওয়া হালাল ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ তোমরা (ইহরাম অবস্থায়) তা শিকার করে না থাকো কিংবা শুধু তোমাদের জন্যই কেউ শিকার না করে থাকে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, নবী (ﷺ) হতে পরস্পর বিরোধী হাদীস বর্ণিত হলে সাহাবীরা যেটা গ্রহণ করেছেন সেটাই প্রাধান্য পাবে।
[১] তিরমিযী, নাসায়ী। সানাদের আবূ আবদুর রহমান ইবনু উমর বিন আবূ আমর হাদীস বর্ণনায় শক্তিশালী নন। যদিও তার থেকে মালিক বর্ণনা করেছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) স্থলভাগের শিকার করা পশুর গোশত সম্পর্কে একটি সীমাবদ্ধ বিধান বলেছেন। তিনি বলেন, তা তোমাদের জন্য হালাল—যতক্ষণ তোমরা ইহরাম অবস্থায় নিজে শিকার না করো এবং শুধু তোমাদের জন্য কেউ শিকার না করে। তাই হাদিসটি ইহরাম অবস্থায় শিকার খাওয়ার বিষয়কে শর্তের সঙ্গে বুঝিয়েছে। এটি আগের কিছু বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে বোঝা যায়, সব শিকারজাত গোশতের অবস্থা এক নয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহ.)-এর মন্তব্যও এসেছে—নবী (صلى الله عليه وسلم) থেকে আপাত ভিন্ন বর্ণনা থাকলে সাহাবীরা যেটা গ্রহণ করেছেন, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুহরিম নিজে শিকার করলে সেই শিকার তার জন্য হালাল নয়।
- শুধু মুহরিমের জন্য শিকার করা হলেও সতর্কতার বিধান আছে।
- স্থলভাগের শিকার খাওয়ার ক্ষেত্রে শর্তের কথা এসেছে।
- আপাত ভিন্ন বর্ণনা বুঝতে সাহাবীদের আমল গুরুত্ব পায়—এ কথা ইমাম আবূ দাউদ উল্লেখ করেছেন।
