১১/৮৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০০৩ - ঋতুমতী হলে তাওয়াফে ইফাদা
বিদায়ী তাওয়াফ
ঋতুমতী নারীর তাওয়াফে ইফাদা নিয়ে সহজ বুঝ
সুনানে আবূ দাউদ : ২০০৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২০০৩
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ ذَكَرَ صَفِيَّةَ بِنْتَ حُيَىٍّ فَقِيلَ إِنَّهَا قَدْ حَاضَتْ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لَعَلَّهَا حَابِسَتُنَا». فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهَا قَدْ أَفَاضَتْ. فَقَالَ «فَلاَ إِذًا».
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হুয়াই এর কন্যা সাফিয়্যাহ্র (রাঃ) কথা উল্লেখ করেন। তখন বলা হলো, সে ঋতুবর্তী। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ সম্ভবত সে আমাদের যাত্রা বিলম্বিত করবে। লোকেরা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি তো তাওয়াফে ইফাদা করেছেন। এবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তাহলে সমস্যা নাই।
[২০০৩]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাফিয়া বিনত হুয়াই (রাঃ)-এর ঘটনা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বলা হলো, তিনি ঋতুমতী হয়েছেন। প্রথমে নবী (صلى الله عليه وسلم) বললেন, সম্ভবত তিনি আমাদের যাত্রা বিলম্বিত করবেন। এরপর লোকেরা জানাল, তিনি তো তাওয়াফে ইফাদা করে ফেলেছেন। তখন রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বললেন, তাহলে সমস্যা নেই। এখানে মূল বিষয় হলো তাওয়াফে ইফাদা এবং ঋতুমতী নারীর অবস্থা। হাদিসের ভাষা থেকে এতটুকুই বোঝা যায় যে, তাওয়াফে ইফাদা হয়ে গেলে এ ঘটনার কারণে কাফেলার যাত্রা আটকে থাকেনি। এখানে কোনো অতিরিক্ত আলোচনা না এনে সরাসরি টেক্সটের শিক্ষা হলো: হজ্জের বড় কাজের সময় ও অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আর নবী (صلى الله عليه وسلم) বাস্তব পরিস্থিতি শুনে সহজ উত্তর দিয়েছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা যাত্রার সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
- ঋতুমতী হওয়ার সংবাদ শুনে নবী (صلى الله عليه وسلم) বিষয়টি যাচাই করেছেন।
- বাস্তব তথ্য পরিষ্কার হলে সিদ্ধান্তও সহজ হয়।
