২৫/৩৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৫৭১ - নবীজির যুগে তামাত্তু হজ্জ
নবী (ﷺ)-এর যুগে হজ্জে তামাত্তু‘।
নবীজির যুগে তামাত্তু হজ্জ: কুরআন ও সুন্নাতের আলোকে শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ১৫৭১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৫৭১
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ حَدَّثَنِي مُطَرِّفٌ عَنْ عِمْرَانَ قَالَ تَمَتَّعْنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللهِ ﷺ فَنَزَلَ الْقُرْآنُ قَالَ رَجُلٌ بِرَأْيِهِ مَا شَاءَ
‘ইমরান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা নবী (ﷺ)-এর যুগে হজ্জে তামাত্তু’ করেছি, কোরআনেও তার বিধান নাযিল হয়েছে অথচ এক ব্যক্তি তার ইচ্ছামত অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৫৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইমরান (রাঃ) খুব সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্ত একটি বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, তাঁরা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর যুগে হজ্জে তামাত্তু করেছেন এবং কুরআনেও তার বিধান নাজিল হয়েছে। এরপর তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নিজের মত অনুযায়ী যা ইচ্ছা বলেছেন। এখানে তামাত্তু হজ্জের বৈধতা এবং সুন্নাতের গুরুত্ব একসঙ্গে এসেছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ইবাদতের বিষয়ে মানুষের মত থাকতেই পারে, কিন্তু কুরআন ও নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর যুগের আমল সামনে থাকলে সেটিই আসল ভিত্তি। এই বর্ণনায় কোনো দীর্ঘ ঘটনা নেই; শুধু তামাত্তু হজ্জের আমল, কুরআনের বিধান এবং ব্যক্তিগত মতের সীমা বলা হয়েছে। তাই হজ্জে তামাত্তু সম্পর্কে যারা জানতে চান, তাঁদের জন্য এটি মূল বিষয়ের একটি সরল দলিল। এতে বাড়তি দাবি করার দরকার নেই; কথাগুলো নিজেই পরিষ্কার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর যুগে সাহাবীরা হজ্জে তামাত্তু করেছেন।
- তামাত্তু হজ্জ সম্পর্কে কুরআনে বিধান নাজিল হয়েছে বলে বর্ণনায় এসেছে।
- ব্যক্তিগত মত কুরআন ও সুন্নাতের উপরে নয়।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসও বড় ফিকহি শিক্ষা দিতে পারে।
