২৫/৬৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬২২ - হজ্জে তাওহীদ ও তাওয়াফের শালীনতা
উলঙ্গ হয়ে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করবে না এবং কোন মুশরিক হজ্জ করবে না।
হজ্জে তাওহীদ ও বায়তুল্লাহর শালীনতা
সহীহ বুখারী : ১৬২২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৬২২
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ قَالَ يُونُسُ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ حَدَّثَنِي حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ بَعَثَهُ فِي الْحَجَّةِ الَّتِي أَمَّرَهُ عَلَيْهَا رَسُولُ اللهِ ﷺ قَبْلَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ يَوْمَ النَّحْرِ فِي رَهْطٍ يُؤَذِّنُ فِي النَّاسِ أَلاَ لاَ يَحُجُّ بَعْدَ الْعَامِ مُشْرِكٌ وَلاَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বিদায় হজ্জের পূর্বে যে হজ্জে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আবূ বকর (রাঃ)-কে আমীর নিযুক্ত করেন, সে হজ্জে কুরবানীর দিন [আবূ বকর (রাঃ)] আমাকে একদল লোকের সঙ্গে পাঠালেন, যারা লোকদের কাছে ঘোষণা করবে যে, এ বছরের পর হতে কোন মুশরিক হজ্জ করবে না এবং উলঙ্গ হয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করবে না।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হজ্জের পবিত্র পরিবেশ রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এসেছে। বিদায় হজ্জের আগের হজ্জে আবু বকর (রাঃ)-কে আমীর করা হয়েছিল। কুরবানীর দিন আবু হুরায়রা (রাঃ) একদল লোকের সঙ্গে মানুষের মাঝে ঘোষণা করেন, ওই বছরের পর কোনো মুশরিক হজ্জ করবে না এবং কেউ উলঙ্গ হয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করবে না। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, হজ্জ তাওহীদের ইবাদত, আর বায়তুল্লাহর তাওয়াফ শালীনতা ও সম্মানের সঙ্গে করতে হয়। এখানে হজ্জের বিধান, তাওয়াফের আদব এবং পবিত্র ঘরের মর্যাদা একসঙ্গে বোঝানো হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জ তাওহীদভিত্তিক ইবাদত; শিরকের রীতি এতে স্থান পায় না।
- বায়তুল্লাহর তাওয়াফ শালীন পোশাক ও সম্মানের সঙ্গে করতে হয়।
- ইসলামী বিধান মানুষের সামনে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া দরকার।
- কুরবানীর দিন হজ্জের গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার একটি সময় ছিল।
