২৫/৭৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬৪২ - উমরার ইহরাম ও হালাল হওয়ার বিধান
ওযু সহকারে তাওয়াফ করা।
উমরার ইহরাম: তাওয়াফ ও সাঈ শেষে হালাল হওয়া
সহীহ বুখারী : ১৬৪২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৬৪২
وَقَدْ أَخْبَرَتْنِيأُمِّي أَنَّهَا أَهَلَّتْ هِيَ وَأُخْتُهَا وَالزُّبَيْرُ وَفُلاَنٌ وَفُلاَنٌ بِعُمْرَةٍ فَلَمَّا مَسَحُوا الرُّكْنَ حَلُّوا
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
তিনি তাঁর বোন [‘আয়েশা (রাঃ) ও (আমার পিতা) যুবাইর (রাঃ) এবং অমুক অমুক ‘উমরাহ’র নিয়তে ইহ্রাম বাঁধেন। এরপর তাওয়াফ (ও সা’য়ী) শেষে হালাল হয়ে যান।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় উমরার নিয়ত, ইহরাম এবং হালাল হওয়ার বিষয়টি এসেছে। বলা হয়েছে, কয়েকজন উমরার নিয়তে ইহরাম বাঁধেন। এরপর তাওয়াফ ও সাঈ শেষ হলে তাঁরা হালাল হয়ে যান। আগের হাদিসে হজ্জের তাওয়াফ করে ইহরাম না ভাঙার কথা ছিল; এখানে উমরার আলাদা অবস্থা বোঝা যায়। তাই মূল শিক্ষা হলো, হজ্জ ও উমরার আমল এক নয়; কোন নিয়তে ইহরাম বাঁধা হয়েছে, তা আমলের পরের অবস্থার সঙ্গে জড়িত। এই হাদিসে অতিরিক্ত কোনো বিবরণ নেই, তাই শুধু এতটুকুই বলা নিরাপদ যে উমরার নির্ধারিত কাজ শেষ করার পর হালাল হওয়ার কথা বর্ণনায় এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উমরার নিয়ত আলাদা হলে তার আমলের ফলও আলাদাভাবে বুঝতে হয়।
- তাওয়াফ ও সাঈ উমরার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে এই বর্ণনায় এসেছে।
- হজ্জ ও উমরার হালাল হওয়ার বিষয় এক করে দেখা ঠিক নয়।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও আমলের ক্রম সম্পর্কে শিক্ষা নেওয়া যায়।
