২৫/১১০. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭০২ - কুরবানির পশুর কিলাদা ও হালাল থাকা
বকরীর গলায় কিলাদা ঝুলান।
কুরবানির পশুর কিলাদা: বকরির গলায় মালা পরানোর শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ১৭০২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৭০২
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ عَنْ الأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كُنْتُ أَفْتِلُ الْقَلاَئِدَ لِلنَّبِيِّ ﷺ فَيُقَلِّدُ الْغَنَمَ وَيُقِيمُ فِي أَهْلِهِ حَلاَلاً
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-এর (কুরবানীর পশুর) কিলাদাগুলো পাকিয়ে দিতাম আর তিনি তা বকরীর গলায় পরিয়ে দিতেন। এরপর তিনি নিজ পরিবারে হালাল অবস্থায় থেকে যেতেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭০২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) বলেন, তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কুরবানির পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিতেন। নবী (صلى الله عليه وسلم) তা বকরির গলায় পরিয়ে দিতেন এবং এরপর নিজ পরিবারের মধ্যে হালাল অবস্থায় থাকতেন। এখানে কিলাদা মানে কুরবানির পশুকে চিহ্নিত করার মালা। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, কুরবানির পশুর গলায় কিলাদা পরানো একটি পরিচিত আমল ছিল। একই সঙ্গে এই বর্ণনায় দেখা যায়, শুধু কিলাদা পরানো বা পশু পাঠানোর কারণে নবী (صلى الله عليه وسلم) ইহরামের নিষেধাজ্ঞায় প্রবেশ করেননি। তাই সার্চ কীওয়ার্ড হিসেবে কুরবানির পশুর কিলাদা, বকরির গলায় মালা, হাদ্য পশু এবং হালাল থাকা খুব প্রাসঙ্গিক। ব্যাখ্যাটি এখানেই সীমিত রাখা উচিত, কারণ হাদিসে এই বিষয়গুলোই এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরবানির পশুকে কিলাদা পরানো হাদ্য পশু চিহ্নিত করার একটি আমল।
- কিলাদা পাকানো ও পরানো কাজে আয়েশা (রাঃ)-এর অংশগ্রহণ দেখা যায়।
- পশুকে কিলাদা পরানো মাত্রই ইহরামের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয় না—এ বর্ণনায় তা বোঝা যায়।
