২৫/১১০. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭০৩ - হাদ্য পশু পাঠিয়ে হালাল থাকার শিক্ষা
বকরীর গলায় কিলাদা ঝুলান।
হাদ্য পশু পাঠানো ও হালাল থাকা: কিলাদার সহজ ব্যাখ্যা
সহীহ বুখারী : ১৭০৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৭০৩
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ الْمُعْتَمِرِ ح وحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كُنْتُ أَفْتِلُ قَلاَئِدَ الْغَنَمِ لِلنَّبِيِّ ﷺ فَيَبْعَثُ بِهَا ثُمَّ يَمْكُثُ حَلاَلاً
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-এর বকরীর কিলাদা পাকিয়ে দিতাম আর তিনি সেগুলো পাঠিয়ে দিয়ে হালাল অবস্থায় থেকে যেতেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৭০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আয়েশা (রাঃ) জানান, তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বকরির কিলাদা পাকিয়ে দিতেন। নবী (صلى الله عليه وسلم) সেগুলো পাঠিয়ে দিতেন এবং হালাল অবস্থায় থাকতেন। এই হাদিসের মূল বিষয় কুরবানির পশুর কিলাদা এবং হাদ্য পশু পাঠানো। এখানে এমন কোনো দীর্ঘ বিবরণ নেই যে তিনি কোথায় পাঠালেন বা পরে কী হলো। তাই ব্যাখ্যায় শুধু এতটুকুই বলা নিরাপদ যে, কুরবানির পশু চিহ্নিত করে পাঠানো একটি সুন্নাহভিত্তিক কাজ, আর কিলাদা পরানোর পরও নবী (صلى الله عليه وسلم) সাধারণ হালাল অবস্থায় থাকতেন। যারা গুগলে কুরবানির পশুর কিলাদা, হাদ্য পাঠালে ইহরাম লাগে কি বা সহিহ বুখারী ১৭০৩ বাংলা খোঁজেন, তাদের জন্য এই হাদিসটি সরাসরি প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরবানির পশু পাঠানোর আগে তাকে চিহ্নিত করার বিষয়টি হাদিসে এসেছে।
- আয়েশা (রাঃ) নিজ হাতে কিলাদা পাকিয়ে দিতেন—এটি ঘরোয়া সহযোগিতার সুন্দর উদাহরণ।
- হাদ্য পশু পাঠানো আর নিজে ইহরামে থাকা—দুটি বিষয় এ বর্ণনায় আলাদা রাখা হয়েছে।
