৩০/৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯০৩ - রোজায় মিথ্যা কথা থেকে বিরত থাকার শিক্ষা
যে ব্যক্তি সওম পালনের সময় মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল পরিত্যাগ করে না।
রোজার আসল শিক্ষা: মিথ্যা কথা ও মন্দ কাজ বর্জন
সহীহ বুখারী : ১৯০৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯০৩
حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْمَقْبُرِيُّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالْعَمَلَ بِهِ فَلَيْسَ للهِ حَاجَةٌ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তার এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহ্র কোন প্রয়োজন নেই।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯০৩-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: রোজার আদব। এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) রোজার ভেতরের শিক্ষা বুঝিয়েছেন। রোজা মানে শুধু খাবার ও পানীয় থেকে দূরে থাকা নয়। একজন রোজাদারকে মিথ্যা কথা এবং মিথ্যা অনুযায়ী কাজ থেকেও দূরে থাকতে হবে। হাদিসে কঠোরভাবে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি এসব ছাড়ে না, তার পানাহার ত্যাগে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। এর অর্থ হলো রোজা মানুষের চরিত্র ঠিক করার ইবাদত। মুখ, কাজ ও আচরণ—সব জায়গায় সততা থাকতে হবে। তাই রমজানের রোজা আমাদের শেখায়, পেটের চাহিদা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সঙ্গে জিহ্বা ও কাজকেও ঠিক পথে রাখতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোজা রেখে মিথ্যা কথা থেকে দূরে থাকা জরুরি।
- শুধু না খেয়ে থাকা রোজার পূর্ণ শিক্ষা নয়।
- রোজা মানুষের কথা ও কাজকে সৎ করার শিক্ষা দেয়।
- মিথ্যা আচরণ রোজার উদ্দেশ্যের সঙ্গে যায় না।
