৩০/৪৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৫৯ - মেঘাচ্ছন্ন দিনে ইফতার ও কাযা
রমজানে ইফতারের পরে যদি সূর্য (আবার) দেখা যায়।
মেঘাচ্ছন্ন দিনে ইফতার: সূর্য দেখা গেলে কী শেখা যায়
সহীহ বুখারী : ১৯৫৯
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯৫৯
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللهِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ فَاطِمَةَ عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ قَالَتْ أَفْطَرْنَا عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ ﷺ يَوْمَ غَيْمٍ ثُمَّ طَلَعَتْ الشَّمْسُ قِيلَ لِهِشَامٍ فَأُمِرُوا بِالْقَضَاءِ قَالَ لاَ بُدَّ مِنْ قَضَاءٍ وَقَالَ مَعْمَرٌ سَمِعْتُ هِشَامًا لاَ أَدْرِي أَقَضَوْا أَمْ لاَ
আসমা বিনতু আবূ বাক্র (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (ﷺ)-এর যুগে একদা মেঘাচ্ছন্ন দিনে আমরা ইফতার করলাম, এরপর সূর্য দেখা যায়। বর্ণনাকারী হিশামকে জিজ্ঞেস করা হল, তাঁদের কি কাযা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল? হিশাম (রহঃ) বললেন, কাযা ব্যতীত উপায় কী? (অপর বর্ণনাকারী) মা’মার (রহঃ) বলেন, আমি হিশামকে বলতে শুনেছি, তাঁরা কাযা করেছিলেন কি না তা আমি জানি না।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৫৯-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: ইফতার ভুল। আসমা বিনত আবু বকর রাঃ বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم-এর যুগে এক মেঘাচ্ছন্ন দিনে তাঁরা ইফতার করেন। এরপর সূর্য দেখা যায়। পরে বর্ণনাকারী হিশামকে জিজ্ঞেস করা হয়, তাঁদের কি কাযা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল? তিনি বলেন, কাযা ছাড়া উপায় কী? আবার মামার রহঃ বলেন, তিনি হিশামকে বলতে শুনেছেন—তাঁরা কাযা করেছিলেন কি না, তা তিনি জানেন না। এই হাদিসে মেঘলা দিনে ইফতারের সতর্কতা এবং বর্ণনার সীমা দেখা যায়। এখানে নিশ্চিত করে অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত চাপানো উচিত নয়। মূল শিক্ষা হলো, ইফতারের সময় যাচাই করা দরকার এবং বর্ণনাকারীরা যেখানে জানেন না, সেখানে ‘জানি না’ বলেছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মেঘলা দিনে ইফতারের সময় বুঝতে সতর্ক থাকা দরকার।
- বর্ণনায় সূর্য দেখা যাওয়ার ঘটনা এসেছে।
- কাযা হয়েছিল কি না—এ বিষয়ে বর্ণনায় অনিশ্চয়তার কথাও আছে।
- যা জানা নেই, তা স্পষ্টভাবে বলা ইলমের আদব।
