৩৪/৮২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২১৮৮ - আরিয়্যা অনুমানে বিক্রির অনুমতি
মুযাবানা পদ্ধতিতে কেনা-বেচা। অর্থাৎ গাছের খেজুরের বদলে শুকনো খেজুর, রসালো আঙ্গুরের পরিবর্তে শুকনো আঙ্গুর এবং ধারে বিক্রয় করা।
আরিয়্যা বিক্রি: অনুমানের ভিত্তিতে সীমিত ছাড়
সহীহ বুখারী : ২১৮৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২১৮৮
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ ـ رضى الله عنهم ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ أَرْخَصَ لِصَاحِبِ الْعَرِيَّةِ أَنْ يَبِيعَهَا بِخَرْصِهَا.
যাইদ ইব্নু ছাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আরিয়্যা এর মালিককে তা অনুমানে বিক্রি করার অনুমতি প্রদান করেছেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ২১৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় আরিয়্যা বিক্রির অনুমতি। ইবন উমর (রাঃ) যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন, আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم) আরিয়্যার মালিককে তা অনুমানে বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছেন। এখানে ‘অনুমানে’ কথাটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সাধারণ ফল বা খেজুর লেনদেনে অনিশ্চয়তা থাকলে নিষেধ এসেছে, কিন্তু আরিয়্যার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ইসলামের ক্রয়-বিক্রয় নীতিতে সতর্কতা যেমন আছে, তেমনি প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট অনুমতিও আছে। তবে সেই অনুমতি নিজের মতো বড় করে নেওয়া যাবে না। আরিয়্যা বিক্রি, অনুমানকৃত ফল এবং খেজুর কেনাবেচা নিয়ে আলোচনা করলে এই হাদিসটি সরাসরি কাজে লাগে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আরিয়্যার মালিককে অনুমানে বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
- এই অনুমতি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের জন্য এসেছে।
- ক্রয়-বিক্রয়ে ছাড় থাকলেও তার সীমা মানা দরকার।
