৩৪/৯৬. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ২২১৩ - অবিভক্ত সম্পত্তিতে শুফআ অধিকার

এক অংশীদার কর্তৃক (তার অংশ) থেকে অপর অংশীদারের কাছে বিক্রি করা

শুফআ অধিকার: অবিভক্ত সম্পত্তির ন্যায়ভিত্তিক নিয়ম

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২২১৩

حَدَّثَنِي مَحْمُودٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرٍ ـ رضى الله عنه ـ جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ الشُّفْعَةَ فِي كُلِّ مَالٍ لَمْ يُقْسَمْ، فَإِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ وَصُرِّفَتِ الطُّرُقُ فَلاَ شُفْعَةَ.

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

যে সম্পত্তির ভাগ বাটোয়ারা হয় নি, নবী (ﷺ) তাতে শুফ’আ [১৬] এর অধিকার প্রদান করেছেন। যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং রাস্তা ভিন্ন করা হয়, তখন আর শুফ’আ এর অধিকার থাকবে না।

[১৬] যৌথ মালিকানা বা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে জমি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে তা লাভ করার অগ্রাধিকারকে শুফ’আ বলে।

সহীহ বুখারী হাদিস ২২১৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم এমন সম্পত্তির ব্যাপারে শুফআর অধিকার দিয়েছেন, যার ভাগ-বাঁটোয়ারা এখনো হয়নি। কিন্তু যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং রাস্তা আলাদা করে দেওয়া হয়, তখন আর শুফআর অধিকার থাকে না। এখানে সম্পত্তি লেনদেনের একটি বাস্তব বিষয় এসেছে। অংশীদারিত্ব থাকা অবস্থায় বিক্রি হলে অন্য অংশীদারের স্বার্থ জড়িত থাকতে পারে। কিন্তু ভাগ হয়ে গেলে, সীমানা ও চলাচলের পথ আলাদা হলে, সেই যৌথ অবস্থা আর থাকে না। তাই অধিকারও বদলে যায়। হাদিসটি দেখায়, সম্পত্তির লেনদেনে কেবল মালিকানা নয়, অংশীদারিত্ব, সীমানা ও রাস্তার অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। এতে ঝগড়া কমে এবং প্রত্যেকের অধিকার স্পষ্ট থাকে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • অবিভক্ত সম্পত্তিতে শুফআর অধিকার স্বীকৃত হয়েছে।
  • সীমানা নির্ধারিত হলে শুফআর অধিকার থাকে না।
  • রাস্তা আলাদা হওয়া সম্পত্তির পৃথক অবস্থার লক্ষণ।
  • সম্পত্তি বিক্রিতে অংশীদারের অধিকার বিবেচনা করা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন