৭১/১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৪৬৭ - নবজাতকের তাহনীক ও বরকতের দোয়া
যে সন্তানের আকিকা দেয়া হবে না, জন্ম লাভের দিনেই তার নাম রাখা ও তাহ্নীক করা (কিছু চিবিয়ে তার মুখে দেয়া)।
নবজাতকের তাহনীক: নাম রাখা ও বরকতের দোয়া
সহীহ বুখারী : ৫৪৬৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৪৬৭
إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ قَالَ حَدَّثَنِي بُرَيْدٌ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِي مُوسٰى قَالَ وُلِدَ لِي غُلاَمٌ فَأَتَيْتُ بِهِ النَّبِيَّ ﷺ فَسَمَّاه“ إِبْرَاهِيمَ فَحَنَّكَه“ بِتَمْرَةٍ وَدَعَا لَه“ بِالْبَرَكَةِ وَدَفَعَه“ إِلَيَّ وَكَانَ أَكْبَرَ وَلَدِ أَبِي مُوسَى.
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমার একটি পুত্র সন্তান জন্মালে আমি তাকে নিয়ে নবী (ﷺ)-এর কাছে গেলাম। তিনি তার নাম রাখলেন ইবরাহীম। তারপর খেজুর চিবিয়ে তার মুখে দিলেন এবং তার জন্য বারাকাতের দোয়া করে আমার কাছে ফিরিয়ে দিলেন। সে ছিল আবূ মূসার সবচেয়ে বড় ছেলে।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৪৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু মূসা (রাঃ) তাঁর পুত্র সন্তান জন্মের পর নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেছেন। নবী (صلى الله عليه وسلم) শিশুটির নাম রাখলেন ইব্রাহিম। এরপর খেজুর চিবিয়ে তার মুখে দিলেন এবং তার জন্য বরকতের দোয়া করলেন। পরে শিশুটিকে তার পিতার কাছে ফিরিয়ে দিলেন। এই বর্ণনায় নবজাতকের তাহনীক, ভালো নাম রাখা এবং দোয়ার বিষয়টি পরিষ্কারভাবে এসেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সন্তানের জন্মের পর তার জন্য কল্যাণ কামনা করা এবং ভালো নামের প্রতি মনোযোগ দেওয়া। হাদিসে আরও এসেছে, সে আবু মূসার বড় ছেলে ছিল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবজাতকের জন্য ভালো নাম রাখা একটি সুন্দর আমল হিসেবে এসেছে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) খেজুর দিয়ে শিশুর তাহনীক করেছেন।
- সন্তানের জন্য বরকতের দোয়া করা গুরুত্বপূর্ণ।
- শিশুকে স্নেহ ও যত্নের সঙ্গে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
