১/১. অধ্যায়ঃ
জাল ও যঈফ হাদীস সিরিজ হাদিস ৯ - পরহেজগার নিয়ে ভিত্তিহীন হাদিস
১ থেকে ১০০ নং হাদিস
পরহেজগার নিয়ে ভিত্তিহীন হাদিস: “আমি দাদা” কথার হুকুম
জাল ও যঈফ হাদীস সিরিজ : ৯
জাল ও যঈফ হাদীস সিরিজহাদিস নম্বর ৯
أنا جد كل تقي لا أصل له-سئل عنه الحافظ السيوطي فقال: لا أعرفه ذكره في كتابه " الحاوي للفتاوي " (2 / 89) انا جد كل تقي لا اصل له-سىل عنه الحافظ السيوطي فقال: لا اعرفه ذكره في كتابه " الحاوي للفتاوي " (2 / 89)
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
আমি প্রত্যেক পরহেজগার (সংযমী) ব্যক্তির দাদা।হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।হাফিয সুয়ূতীকে এটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেনঃ আমি এ হাদীসটি চিনিনা। তিনি এ কথাটি তাঁর “আল-হাবী লিল ফাতাওয়া” গ্রন্থে (২/৮৯) বলেছেন।
জাল ও যঈফ হাদীস সিরিজ হাদিস ৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, “আমি প্রত্যেক পরহেজগার ব্যক্তির দাদা।” প্রদত্ত আলোচনায় বলা হয়েছে, হাদিসটির কোনো ভিত্তি নেই। হাফিয সুয়ূতীকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তিনি এ হাদিসটি চেনেন না। তাই এই বাক্যটি রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর হাদিস হিসেবে বলা বা ছড়ানো ঠিক নয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো—তাকওয়া বা পরহেজগারি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে উৎসহীন বর্ণনা ব্যবহার করা উচিত নয়। তাকওয়া ইসলামের বড় বিষয়, কিন্তু তাকওয়ার মর্যাদা বোঝাতে সহীহ আয়াত ও হাদিস যথেষ্ট আছে। কোনো অচেনা বা ভিত্তিহীন কথা নবী صلى الله عليه وسلم-এর নামে বললে মানুষ ভুল ধারণা পেতে পারে। “পরহেজগার সম্পর্কে হাদিস” খোঁজার সময় নির্ভরযোগ্য বই ও যাচাই করা সূত্র দেখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অচেনা বর্ণনা রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর নামে বলা যাবে না।
- তাকওয়ার গুরুত্ব বোঝাতে সহীহ দলিল ব্যবহার করা উচিত।
- কোনো আলেম হাদিসটি না চিনলে আরও সতর্ক হওয়া দরকার।
- ভিত্তিহীন কথা ছড়ালে হাদিস সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে।
