১/১১০. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬০৭ - বীর্যপাত হলে গোসল ফরজ
বীর্যপাতে গোসল অপরিহার্য হয়
বীর্যপাত হলে গোসল ফরজ: সংক্ষিপ্ত হাদিসের সহজ ব্যাখ্যা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৬০৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৬০৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ السَّائِبِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سُعَادٍ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «الْمَاءُ مِنَ الْمَاءِ».
আবূ আইয়ূব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, বীর্যপাত হলে গোসল ওয়াজিব হয়।
[৬০৪] মুসলিম ৩৪৯-৫০, তিরমিযী ১০৮, আহমাদ ২৩৬৮৬, ২৪১৩৪, ২৪২৯৬, ২৪৩৯৩, ২৪৫১৬, ২৪৭৫৩, ২৫৩৭৪, ২৫৪৯৪, ২৫৭৫৭, মুওয়াত্ত্বা মালিক ১০৪-৬। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬০৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু পবিত্রতার একটি বড় নিয়ম বুঝিয়ে দেয়। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, “বীর্যপাত হলে গোসল ফরজ হয়।” আরবি বাক্য “الماء من الماء” খুব সংক্ষিপ্ত ভাষায় এসেছে। বাংলায় এর মূল শিক্ষা হলো, বীর্য বের হলে গোসলের বিধান আসে। তাই “গোসল ফরজ হওয়ার কারণ” বা “বীর্যপাত হলে গোসল” বিষয় খুঁজলে এই হাদিসটি সরাসরি প্রাসঙ্গিক। এখানে অতিরিক্ত কোনো ঘটনা, শর্ত বা ব্যাখ্যা নেই; তাই ব্যাখ্যাও হাদিসের সীমার মধ্যে রাখা দরকার। হাদিসটি মানুষকে শেখায়, পবিত্রতা শুধু বাহ্যিক পরিচ্ছন্নতা নয়; নির্দিষ্ট অবস্থায় শরিয়তের নির্দেশ অনুযায়ী গোসল করা ইবাদতের প্রস্তুতির অংশ। তবে একই বিষয়ে অন্য বর্ণনায় আরও কিছু অবস্থা এসেছে, যা আলেমরা একসাথে বিবেচনা করেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বীর্যপাত হলে গোসলের বিধান স্পষ্ট।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসও গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা জানাতে পারে।
- পবিত্রতার আলামত বুঝে আমল করা দরকার।
- ইবাদতের আগে শরীরের পবিত্রতা রক্ষা করতে হয়।
