১৩/১৯. অধ্যায়ঃ

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৮৯ - আশূরার রোজা ঐচ্ছিক

আশুরা বা মহররম মাসের দশ তারিখের সাওম।

আশূরার সাওম: ইচ্ছা করলে রাখবে, ইচ্ছা করলে নয়

আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৬৮৯

حديث ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ عَاشُورَاءُ يَصُومُهُ أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ، فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ، قَالَ: مَنْ شَاءَ صَامَهُ وَمَنْ شَاءَ لَمْ يَصُمْهُ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

জাহিলী যুগের লোকেরা আশুরার সাওম পালন করত। এরপর যখন রমাযানের সাওমের বিধান নাযিল হল, তখন নবী (ﷺ) বললেন, যার ইচ্ছে সে আশুরার সাওম পালন করবে আর যার ইচ্ছে সে তার সাওম পালন করবে না।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৫: তাফসীর, অধ্যায় ২৪, হাঃ ৪৫০১; মুসলিম, পর্ব ১৩; সওম, অধ্যায় ১৯, হাঃ ১১২৬

অনুবাদের উৎস

সংকলক:
ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
প্রকাশক:
তাওহীদ পাবলিকেশন্স
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৮৯-এর সারসংক্ষেপ

ইবনু উমার (রাঃ)-এর এই বর্ণনায় আশূরার সাওমের সহজ বিধান এসেছে। জাহিলী যুগের লোকেরা আশূরার দিন সাওম পালন করত। পরে যখন রমাযানের সাওমের বিধান নাযিল হলো, তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) বললেন, যার ইচ্ছে সে আশূরার সাওম পালন করবে, আর যার ইচ্ছে সে পালন করবে না। এই হাদিসে ফরয রোজা ও নফল রোজার পার্থক্য সহজভাবে বোঝা যায়। রমাযানের সিয়াম আলাদা মর্যাদার ফরয আমল। আর আশুরার রোজা পালন করা ভালো আমল হলেও এই হাদিস অনুযায়ী তা বাধ্যতামূলক নয়। তাই আশূরার রোজা নিয়ে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করা ঠিক নয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রমাযানের সাওম ফরয, আশূরার সাওম ইচ্ছাধীন।
  • আশূরার রোজা রাখা ভালো আমল, তবে বাধ্যতামূলক নয়।
  • বিধানের পরিবর্তন হলে নবী (صلى الله عليه وسلم) তা পরিষ্কার করে দিয়েছেন।
  • নফল আমলে কাউকে অযথা চাপ দেওয়া উচিত নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন