৪/২১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১০৩১-[৯] - যুহরে তিলাওয়াত সিজদাহ
তিলাওয়াতের সিজদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
যুহরের সালাতে সিজদায়ে তিলাওয়াত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১০৩১-[৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১০৩১-[৯]
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ سَجَدَ فِىْ صَلَاةِ الظُّهْرِ ثُمَّ قَامَ فَرَكَعَ فَرَأَوْا أَنَّه قَرَأَ تَنْزِيْلَ السَّجْدَةَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) যুহরের সালাতে সিজদাহ করলেন, তারপর কিয়াম করলেন। তারপর রুকূ’ করলেন। মানুষেরা মনে করলেন, তিনি (ﷺ) তানযীল আস্ সিজদাহ সূরা পড়েছেন। (আবূ দাঊদ) [১]
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ৮০৭। কারণ সুলায়মান এবং আবূ মিজলায-এর মধ্যবর্তী রাবী উমাইয়্যাহ্ একজন মাজহূল রাবী যাকে মা‘মার ছাড়া অন্য কেউ উল্লেখ করেননি।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১০৩১-[৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم যুহরের সালাতে সিজদাহ করলেন, তারপর দাঁড়ালেন এবং পরে রুকূ করলেন। উপস্থিত লোকেরা ধারণা করলেন, তিনি তানযীল আস সিজদাহ সূরা পড়েছেন। বর্ণনাটি সিজদায়ে তিলাওয়াত সালাতের ভেতরে ঘটার একটি ইঙ্গিত দেয়। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সিজদাহের পর তিনি দাঁড়িয়েছেন, তারপর রুকূ করেছেন। তাই লোকেরা বুঝেছিলেন যে, সিজদার আয়াত পড়া হয়েছিল। হাদিসে সরাসরি সূরার নাম ধারণা হিসেবে এসেছে, নিশ্চিত ঘোষণা হিসেবে নয়; তাই ব্যাখ্যায় এই সীমা রাখা দরকার। যারা জানতে চান ফরজ সালাতে সিজদায়ে তিলাওয়াত করা যায় কি না, বা সালাতের মধ্যে সিজদার আয়াত পড়লে কী হয়—তাদের জন্য এই বর্ণনা প্রাসঙ্গিক। এটি সালাতের ধারাবাহিকতার মধ্যে তিলাওয়াত সিজদাহ বোঝায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের মধ্যে সিজদায়ে তিলাওয়াতের ঘটনা এসেছে।
- সিজদাহের পর দাঁড়িয়ে তারপর রুকূ করার বর্ণনা আছে।
- মানুষেরা ধারণা করেছিলেন তিনি সূরা সিজদাহ পড়েছেন।
- হাদিসে ধারণা ও নিশ্চিত বক্তব্য আলাদা করে বোঝা দরকার।
