৪/২৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১৪৮-[৭] - রুকু পেলে রাকআত পাওয়ার নিয়ম
মুক্তাদির ওপর ইমামের যা অনুসরণ করা কর্তব্য এবং মাসবুকের হুকুম - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
রুকু পেলে রাকআত হবে কি
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১১৪৮-[৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১১৪৮-[৭]
وَعَن أبي هُرَيْرَة أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: مَنْ أَدْرَكَ الرَّكْعَةَ فَقَدْ أَدْرَكَ السَّجْدَةَ وَمَنْ فَاتَتْهُ قِرَاءَةُ أُمِّ الْقُرْانِ فقد فَاتَه خير كثير. رَوَاهُ مَالك
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যে লোক (সালাতে) রুকু পেয়েছে সে গোটা রাকাআতই পেয়েছে। আর যে লোকের সূরায়ে আল ফাতিহাহ পড়া ছুটে গিয়েছে, অনেক সওয়াব তার থেকে ছুটে গিয়েছে। (মালিক)” [১]
[১] য‘ঈফ : মালিক ২৩; কারণ হাদীসটি মু‘যাল।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১৪৮-[৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবু হুরায়রা রাঃ-এর বক্তব্য এসেছে। তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি রুকু পায়, সে রাকআত পায়। আর যার সূরা আল-ফাতিহা পড়া ছুটে যায়, তার অনেক কল্যাণ ছুটে যায়। এখানে দুইটি বিষয় আছে। প্রথমত, জামাতে দেরিতে এসে ইমামকে রুকু অবস্থায় পেলে রাকআত পাওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। দ্বিতীয়ত, সূরা ফাতিহা পড়ার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। হাদিসটি মাসবুকের সালাত এবং রাকআত গণনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তবে এতে বিস্তারিত ফিকহি আলোচনা করা হয়নি; শুধু মূল বক্তব্য এসেছে। তাই একজন মুসল্লির উচিত জামাতে সময়মতো আসা, যাতে দাঁড়ানো, কিরাআত, রুকু ও সিজদা—সব অংশ ভালোভাবে পায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমামের রুকু পেলে রাকআত পাওয়ার বিষয়টি এখানে এসেছে।
- সূরা ফাতিহা পড়ার গুরুত্ব বড়ভাবে স্মরণ করানো হয়েছে।
- জামাতে দেরি না করে সময়মতো আসা ভালো।
- সালাতের প্রতিটি অংশ মনোযোগ দিয়ে আদায় করা উচিত।
