৪/২৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১৪৯-[৮] - ইমামের আগে ওঠানামা শয়তানের প্রভাব
মুক্তাদির ওপর ইমামের যা অনুসরণ করা কর্তব্য এবং মাসবুকের হুকুম - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ইমামের আগে ওঠানামা করা থেকে সাবধান
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১১৪৯-[৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১১৪৯-[৮]
وَعنهُ قَالَ: الَّذِىْ يَرْفَعُ رَأْسَه وَيَخْفِضُه قَبْلَ الْإِمَامِ فَإِنَّمَا ناصيته بيد الشَّيْطَان. رَوَاهُ مَالك
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যে লোক (রুকু ও সিজদায়) ইমামের পূর্বে নিজের মাথা উঠিয়ে ফেলে অথবা ঝুঁকিয়ে ফেলে তবে মনে করতে হবে তার কপাল শয়তানের হাতে। (মালিক) [১]
[১] য‘ঈফ : মালিক ৩০৬; কারণ এর সানাদটি সমালোচিত।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১৪৯-[৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইমামের আগে মাথা ওঠানো বা নামানোর ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা এসেছে। বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি ইমামের আগে মাথা তোলে বা ঝুঁকায়, তার কপাল যেন শয়তানের হাতে। এর মাধ্যমে সালাতে তাড়াহুড়া, অস্থিরতা এবং ইমামের আগে আগে চলার খারাপ দিক বোঝানো হয়েছে। জামা’আতের সালাতে ইমাম সামনে থাকেন, আর মুসল্লির কাজ হলো তাঁকে অনুসরণ করা। ইমামের আগে রুকু, সিজদা, উঠা বা নামা—এসব জামাতের শৃঙ্খলা নষ্ট করে। এই হাদিস মুসল্লিকে মনে করিয়ে দেয়, সালাত শুধু শরীরের নড়াচড়া নয়; এতে ধৈর্য, আদব এবং আনুগত্য দরকার। বিশেষ করে যারা সালাতে দ্রুত ওঠানামা করেন, তাদের জন্য এটি একটি বড় সতর্কবার্তা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমামের আগে ওঠা বা নামা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- সালাতে তাড়াহুড়া শৃঙ্খলা নষ্ট করে।
- জামা’আতে ইমামের অনুসরণ করা জরুরি।
- রুকু ও সিজদায় ধীরতা ও আদব রাখা দরকার।
