১১/৭. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৩১-[৫] - হাদীর পশুতে মালা ও চিহ্নের শিক্ষা
কুরবানির পশুর বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
হাদীর পশুতে মালা পরানো ও চিহ্ন দেওয়ার হাদিস
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৬৩১-[৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৩১-[৫]
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللّٰهُ عَنْهَا قَالَتْ: فَتَلْتُ قَلَائِدَ بُدْنِ النَّبِىِّ ﷺ بِيَدَىَّ ثُمَّ قَلَّدَهَا وَأَشْعَرَهَا وَأَهْدَاهَا فَمَا حَرُمَ عَلَيْهِ شَىْءٌ كَانَ أُحِلَّ لَه. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আমার নিজ হাতে নবী (ﷺ)-এর কুরবানীর পশু উটের মালা তৈরি করেছি। অতঃপর তিনি (ﷺ) তা পশুদের গলায় পরিয়েছেন এবং এগুলোর কুঁজ ফেঁড়ে দিয়েছেন। তারপর এগুলোকে কুরবানীর পশু হিসেবে (বায়তুল্লাহয়) পাঠিয়েছেন। এতে তাঁর উপরে কোন জিনিস হারাম হয়নি, যা তাঁর জন্যে আগে হালাল করা হয়েছিল। (বুখারী ও মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৬৯৬, মুসলিম ১৩২১, নাসায়ী ২৭৮৩, আহমাদ ২৪৪৯২।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৩১-[৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তিনি নিজ হাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কুরবানীর উটের মালা তৈরি করেছিলেন। এরপর নবীজি সেই মালা পশুদের গলায় পরান, কুঁজে চিহ্ন দেন এবং সেগুলোকে কুরবানীর পশু হিসেবে পাঠিয়ে দেন। এরপরও তাঁর ওপর আগে হালাল থাকা কোনো জিনিস হারাম হয়নি। এই বর্ণনায় হাদীর পশু প্রস্তুত করার কয়েকটি ধাপ একসাথে এসেছে: মালা তৈরি, মালা পরানো, চিহ্ন দেওয়া এবং পাঠানো। হাদিসটি এও বোঝায় যে শুধু হাদীর পশু পাঠানোর কারণে নবীজির সাধারণ হালাল বিষয়গুলো তাঁর জন্য হারাম হয়ে যায়নি। তাই হজ্জের কুরবানী ও ইহরাম সম্পর্কিত আলোচনায় এই হাদিস সরাসরি প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরবানীর উটের জন্য মালা তৈরি ও পরানোর আমল এসেছে।
- হাদীর পশুকে চিহ্নিত করে পাঠানো হয়েছে।
- পশু পাঠানোর পরও নবীজির ওপর আগে হালাল থাকা জিনিস হারাম হয়নি।
- হাদীর পশু প্রস্তুতিতে পরিবার থেকেও সহায়তা হয়েছে।
