১২/৮. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯০৭-[৯] - সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ঋণে গড়িমসি

দেউলিয়া (দারিদ্র্য) হওয়া এবং ঋণীকে অবকাশ দান - প্রথম অনুচ্ছেদ

সামর্থ্যবান ব্যক্তির ঋণে গড়িমসি যুল্ম

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯০৭-[৯]

وَعَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَطْلُ الْغَنِيِّ ظُلْمٌ فَإِذَا أُتْبِعَ أحدكُم على مَلِيء فَليتبعْ»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : সক্ষম ব্যক্তির জন্য (অন্যের দেনা পরিশোধে) গড়িমসি করা যুল্‌ম। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি দেনা পরিশোধের জন্য কোনো সক্ষম ব্যক্তির ওপর দায়িত্ব অর্পণ করলে তা গৃহীত করা কর্তব্য।

[১] সহীহ : বুখারী ২২৮৭, মুসলিম ১৫৬৪, আবূ দাঊদ ৩৩৪৫, নাসায়ী ৪৬৯১, তিরমিযী ১৩০৮, ইবনু মাজাহ ২৪০৪, আহমাদ ৮৯৩৮, সহীহ আত্ তারগীব ১৮১৪।

অনুবাদের উৎস

প্রকাশক:
হাদিস একাডেমী
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯০৭-[৯]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করার ব্যাপারে কড়া সতর্কতা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, সক্ষম ব্যক্তির জন্য অন্যের দেনা পরিশোধে গড়িমসি করা যুল্ম। অর্থাৎ যার সামর্থ্য আছে, তার ইচ্ছা করে সময়ক্ষেপণ করা অন্যায়। হাদিসে আরও বলা হয়েছে, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি যদি দেনা পরিশোধের জন্য কোনো সক্ষম ব্যক্তির ওপর দায়িত্ব অর্পণ করে, তাহলে তা গ্রহণ করা কর্তব্য। এখানে ঋণ লেনদেনে শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের শিক্ষা আছে। অক্ষম ঋণীকে ছাড় দেওয়ার হাদিস যেমন আছে, তেমনি সামর্থ্যবান ঋণীর অযথা বিলম্বকে অন্যায় বলা হয়েছে। তাই ঋণ আদায়ে দয়া যেমন দরকার, ঋণ পরিশোধে সততাও জরুরি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ঋণ শোধে দেরি করা যুল্ম।
  • ঋণগ্রহীতার দায়িত্ব হলো সক্ষম হলে দ্রুত পরিশোধ করা।
  • অন্য সক্ষম ব্যক্তির মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা হলে তা গ্রহণ করা উচিত।
  • ঋণ বিষয়ে দয়া ও ন্যায়—দুটোই ইসলামের শিক্ষা।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন