১৬/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৪৭২-[২৭] - পিতা-পুত্র ক্বিসাসের বর্ণনা
কিসাস (প্রতিশোধ) - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
পিতা-পুত্রের ক্বিসাস: বিশেষ বিধানের বর্ণনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৪৭২-[২৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৪৭২-[২৭]
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جدِّهِ عَن سُراقةَ بنِ مالكٍ قَالَ: حَضَرْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقِيدُ الْأَبَ مِنِ ابْنِهِ وَلَا يُقِيدُ الِابْنَ من أَبِيه. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ (لم تتمّ دراسته) وَضَعفه
‘আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ) তাঁর পিতার মাধ্যমে দাদা হতে, তিনি সুরাক্বহ্ ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে দেখেছি, তিনি পুত্র থেকে পিতার কিসাস গ্রহণ করতেন, কিন্তু পিতা থেকে পুত্রের কিসাস গ্রহণ করতেন না।
[১] য‘ঈফ : তিরমিযী ১৩৯৯। কারণ এর সনদে মুসান্না বিন আস্ সববাহ একজন দুর্বল রাবী।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৪৭২-[২৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সুরাকাহ ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে এমন অবস্থায় দেখেছেন যে, তিনি পুত্র থেকে পিতার ক্বিসাস গ্রহণ করতেন, কিন্তু পিতা থেকে পুত্রের ক্বিসাস গ্রহণ করতেন না। বর্ণনার শেষে উল্লেখ আছে, তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং দুর্বল বলেছেন। তাই এই হাদিস নিয়ে কথা বলার সময় সতর্ক থাকা দরকার। মূল বক্তব্যটি পিতা-পুত্রের ক্বিসাস বিষয়ে বিশেষ একটি বিধানকে নির্দেশ করে। তবে যেহেতু হাদিসের মান সম্পর্কে দুর্বলতার কথা এসেছে, তাই এটিকে সাধারণভাবে সব ক্ষেত্রে নিজে নিজে প্রয়োগ করার সুযোগ নেই। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, ক্বিসাসের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে শুধু ভাষা নয়, বর্ণনার মান, আলেমদের আলোচনা এবং বিচারিক বিধান—সবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পিতা-পুত্রের ক্বিসাস বিষয়ে বিশেষ বর্ণনা এসেছে।
- হাদিসের মান দুর্বল বলা হলে ব্যাখ্যায় সতর্কতা দরকার।
- ক্বিসাসের বিধান ব্যক্তিগত আবেগে প্রয়োগ করার বিষয় নয়।
- সংবেদনশীল বিচারিক বিষয়ে আলেমদের যাচাই গুরুত্বপূর্ণ।
