২৩/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৪৬-[৩৩] - ঘাড় ও কাঁধে হিজামার স্থান
চিকিৎসা ও মন্ত্র - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ঘাড়ের দুই পাশে হিজামা করার শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৫৪৬-[৩৩]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৫৪৬-[৩৩]
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَحْتَجِمُ فِي الْأَخْدَعَيْنِ وَالْكَاهِلِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَزَادَ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ: وَكَانَ يحتجمُ سبعَ عشرَة وتسع عشرَة وَإِحْدَى وَعشْرين
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঘাড়ের দু' পার্শ্বের দু' রগে এবং দু' বাহুর মধ্যখানে শিঙ্গা লাগাতেন। আর তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ এ বাক্যগুলো যে তিনি (ﷺ) “তাদের সতের, উনিশ এবং একুশ তারিখে শিঙ্গা লাগাতেন” অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন।
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৩৮৬০, তিরমিযী ২০৫১, ইবনু মাজাহ ৩৪৮৩, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ৩৪৬৪, মুসনাদে আবূ ইয়া‘লা ৩০৪৮, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬০৭৭, আল মু‘জামুল কাবীর ১২৫৮৭, ‘ত্ববারানী’র আল মু‘জামুল কাবীর ১২৪২৩।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৪৬-[৩৩]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস রা. বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم ঘাড়ের দু পাশের রগে এবং দু বাহুর মাঝখানে শিঙ্গা লাগাতেন। তিরমিযী ও ইবনু মাজাহর বর্ণনায় আরও এসেছে, তিনি সতের, উনিশ এবং একুশ তারিখে হিজামা করতেন। তাই এই হাদিসে হিজামার দুইটি বিষয় পাওয়া যায়—একটি হলো শরীরের নির্দিষ্ট স্থান, আরেকটি হলো নির্দিষ্ট তারিখের কথা। হিজামা নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা। তবে হাদিসে যে জায়গা ও তারিখের কথা এসেছে, ব্যাখ্যায় সেটুকুই বলা উচিত। সব মানুষ, সব রোগ বা সব অবস্থার জন্য একইভাবে সিদ্ধান্ত দেওয়া এই বর্ণনার সরাসরি কথা নয়। হাদিসটি হিজামার সুন্নাহসুলভ পদ্ধতির একটি দিক তুলে ধরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم ঘাড়ের দুই পাশ ও কাঁধের মাঝের জায়গায় হিজামা করতেন।
- এই বর্ণনায় সতের, উনিশ ও একুশ তারিখের কথাও এসেছে।
- হিজামার ক্ষেত্রে স্থান ও সময়—দুই দিকই বর্ণনায় পাওয়া যায়।
- হাদিসের নির্দিষ্ট তথ্যকে নির্দিষ্টভাবেই বোঝা দরকার।
