২৩/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৪৭-[৩৪] - হিজামার পছন্দনীয় তারিখ
চিকিৎসা ও মন্ত্র - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
হিজামার পছন্দনীয় তারিখ: ১৭, ১৯ ও ২১
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৫৪৭-[৩৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৫৪৭-[৩৪]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَسْتَحِبُّ الْحِجَامَةَ لِسَبْعَ عَشْرَةَ وَتِسْعَ عَشْرَةَ وَإِحْدَى وَعِشْرِينَ. رَوَاهُ فِي شرح السّنة
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) চাঁদের সতেরো, উনিশ এবং একুশ তারিখে শিঙ্গা লাগানো পছন্দ করতেন।
[১] হাসান : আবূ দাউদ ৩৮৬১, তিরমিযী ২০৫১, ইবনু মাজাহ ৩৪৮৩, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৬২২, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ৩৪৬৫, মা‘রিফাতুস্ সুনান ৫৯৫২, ‘আবদুর রায্যাক ৪২৮১, শারহুস্ সুন্নাহ্ ৩২৩৫, আল আনওয়ার ফী শামায়িলিন্ নাবিয়্যিল মুখতার ১১১৩।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৪৭-[৩৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم চাঁদের সতেরো, উনিশ এবং একুশ তারিখে শিঙ্গা লাগানো পছন্দ করতেন। এখানে হিজামার সময় নিয়ে একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশ এসেছে। হাদিসটি চিকিৎসা বিষয়ে সময় বেছে নেওয়ার একটি সুন্নাহসুলভ দিক দেখায়। যারা হিজামা করার তারিখ জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা সহজ ও সরাসরি। তবে হাদিসে শুধু পছন্দ করার কথা এসেছে; তাই এটিকে এমনভাবে বলা ঠিক নয় যে অন্য কোনো দিনে চিকিৎসা নেওয়া যাবে না। এই বর্ণনার মূল কথা হলো, নবী صلى الله عليه وسلم কিছু নির্দিষ্ট চন্দ্র তারিখে হিজামা পছন্দ করতেন। তাই হিজামা করার সময় এই তারিখগুলো মনে রাখা যেতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم সতেরো, উনিশ ও একুশ তারিখে হিজামা পছন্দ করতেন।
- হিজামার সময় হিসেবে চন্দ্র তারিখের কথা এই বর্ণনায় এসেছে।
- পছন্দনীয় তারিখ জানা চিকিৎসার আদব বুঝতে সাহায্য করে।
- বর্ণনায় যতটুকু বলা হয়েছে, তার বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
