২৩/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৪৮-[৩৫] - ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে হিজামা
চিকিৎসা ও মন্ত্র - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে হিজামার ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৫৪৮-[৩৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৫৪৮-[৩৫]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنِ احْتَجَمَ لِسَبْعَ عَشْرَةَ وَتِسْعَ عَشْرَةَ وَإِحْدَى وَعِشْرِينَ كَانَ شِفَاءً لَهُ مِنْ كُلِّ دَاء». رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি সতেরো, উনিশ ও একুশ তারিখে শিঙ্গা লাগাবে সে সকল রোগ হতে নিরাময় থাকবে।
[১] হাসান : আবূ দাঊদ ৩৮৬১, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৬২২, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ৩৪৬৫, আস্ সুনানুস্ সুগরা ৪২৮১, ‘বায়হাক্বী’র কাবীর ২০০২৮, আল জামি‘উস্ সগীর ১০৯১২, সহীহুল জামি‘ ৫৯৬৮, আল মুসতাদরাক ৭৪৭৫, মা‘রিফাতুস্ সুনান লিল বায়হাক্বী ৫৯৫২।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৪৮-[৩৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন—যে ব্যক্তি সতেরো, উনিশ ও একুশ তারিখে শিঙ্গা লাগাবে, তা তার জন্য সকল রোগ থেকে নিরাময়ের কারণ হবে। হাদিসের ভাষায় এখানে হিজামার জন্য তিনটি চন্দ্র তারিখের বিশেষ উল্লেখ আছে। তাই হিজামা করার তারিখ নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের কাছে এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ। তবে ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার—আমরা হাদিসের কথাই বলব, এর বাইরে চিকিৎসা বিষয়ে আলাদা দাবি করব না। এই বর্ণনা হিজামাকে একটি উপকারী চিকিৎসা হিসেবে তুলে ধরে এবং নির্দিষ্ট তারিখে তা করার কথা বলে। একই বিষয়ে কাছাকাছি বর্ণনায় নবী صلى الله عليه وسلم-এর পছন্দনীয় তারিখের কথাও এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই হাদিসে সতেরো, উনিশ ও একুশ তারিখে হিজামার কথা এসেছে।
- হাদিসের ভাষায় এ সময়ে হিজামাকে নিরাময়ের কারণ বলা হয়েছে।
- চিকিৎসা বিষয়ে হাদিসের কথাকে সম্মানসহ বুঝতে হয়।
- হিজামার সময় নির্বাচন নিয়ে এই বর্ণনা একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দেয়।
