২৩/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৫৮-[৪৫] - বুরাইদাহ রা. থেকে রুকইয়ার বর্ণনা
চিকিৎসা ও মন্ত্র - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
বুরাইদাহ রা. থেকে রুকইয়ার বর্ণনার ইঙ্গিত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৫৫৮-[৪৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৫৫৮-[৪৫]
وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه عَن بُرَيْدَة
আর ইবনু মাজাহ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন বুরয়দাহ্ (রাঃ) হতে।
[১] সহীহ : ইবনু মাজাহ ৩৫১৩, আবূ দাঊদ ৩৮৮৪, তিরমিযী ২০৫৭, মুসলিম ৩৭৪-(২২০), বুখারী ৫৭০৫, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৪৩০, সহীহুল জামি‘ ৭৪৯৬, মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ্ ২৩৫৩৭, আল মু‘জামুল কাবীর নিত্ব ত্ববারানী ৭৩২, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ১৪৪৯, আস সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ২০০২৮।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৫৮-[৪৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় বলা হয়েছে, ইবনু মাজাহ হাদিসটি বুরাইদাহ রা. থেকে বর্ণনা করেছেন। এখানে আলাদা করে পূর্ণ বক্তব্য দেওয়া হয়নি; বরং আগের রুকইয়া সম্পর্কিত বর্ণনার আরেকটি সনদের কথা বলা হয়েছে। তাই এই হাদিসের ব্যাখ্যায় নতুন কোনো বিষয় যোগ করা ঠিক হবে না। মূলত এটি বুঝায়, বদনজর বা বিষাক্ত দংশনের মতো বিষয়ে রুকইয়ার আলোচনা একাধিক সাহাবির বর্ণনার মাধ্যমে এসেছে। তবে যেহেতু এখানে শুধু বুরাইদাহ রা. থেকে বর্ণনার কথা আছে, তাই ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যে রাখা উচিত। এই ধরনের সংক্ষিপ্ত হাদিস পাঠককে শেখায়, কোনো বিষয়ে দলিল বুঝতে শুধু অর্থ নয়, বর্ণনাকারীর দিকটিও লক্ষ্য করা হয়। রুকইয়ার আলোচনায় এটি সহায়ক একটি রেফারেন্স।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনায় ইবনু মাজাহর সনদের দিকটি উল্লেখ হয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা হলে তার বাইরে নতুন দাবি করা উচিত নয়।
- রুকইয়ার বিষয়ে একাধিক সাহাবি থেকে বর্ণনা আসতে পারে।
- হাদিস বোঝার সময় সনদ ও মূল বক্তব্য—দুটোই গুরুত্ব পায়।
