২৫/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৫৬-[২৯] - চিঠিতে নিজের নাম দিয়ে শুরু
সালাম - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
চিঠি লেখার আদব: নিজের নাম দিয়ে শুরু করা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৬৫৬-[২৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৬৫৬-[২৯]
وَعَن أبي الْعَلَاء بن الْحَضْرَمِيّ أَنَّ الْعَلَاءَ الْحَضْرَمِيَّ كَانَ عَامِلَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ إِذَا كَتَبَ إِليه بدأَ بنفسِه. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
আবুল 'আলা ইবনুল হাযরামী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কর্মচারী ছিলেন। যখন তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে চিঠি লিখতেন, তখন নিজের নাম দিয়ে আরম্ভ করতেন।
[১] সনদ য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ৫১৩৪, ‘বায়হাক্বী’র কুবরা ২০৯২৫। হাদীসটি য‘ঈফ হওয়ার কারণ, এর সনদে আছে ‘‘ইবনুল ‘আলা’’ যার অজ্ঞতার কারণে হাদীসটি য‘ঈফ। দেখুন- হিদায়াতুর্ রুওয়াত ৪/৩১৭ পৃঃ।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৫৬-[২৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আলা ইবনুল হাযরামী রা.-এর একটি চিঠি লেখার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কর্মচারী ছিলেন। যখন তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে চিঠি লিখতেন, তখন নিজের নাম দিয়ে আরম্ভ করতেন। বর্ণনাটি খুব নির্দিষ্ট; তাই এর বাইরে বড় কোনো নিয়ম বানানো ঠিক নয়। সরাসরি শিক্ষা হলো, পত্রালাপে পরিচয় স্পষ্ট রাখা গুরুত্বপূর্ণ। চিঠির শুরুতে লেখকের নাম থাকলে পাঠক বুঝতে পারেন, চিঠিটি কে পাঠিয়েছে। এটি যোগাযোগকে পরিষ্কার করে এবং দরকারি কথাকে সহজ করে তোলে। ইসলামী আদবের মধ্যে কথা, সালাম, চিঠি—সব জায়গায় শৃঙ্খলা ও ভদ্রতার দিক আছে। এই বর্ণনায় চিঠি লেখার ক্ষেত্রে নিজের পরিচয় আগে দেওয়ার একটি ব্যবহারিক দিক দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চিঠি লেখায় লেখকের পরিচয় স্পষ্ট রাখা ভালো।
- নিজের নাম দিয়ে শুরু করলে পত্রালাপ পরিষ্কার হয়।
- যোগাযোগে শৃঙ্খলা ও ভদ্রতা রাখা দরকার।
- হাদিসের নির্দিষ্ট ঘটনার বাইরে অতিরিক্ত বিধান বানানো ঠিক নয়।
