২৫/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৮৮-[১২] - আবদুল কায়স প্রতিনিধি দলের ভালোবাসা
করমর্দন ও আলিঙ্গন - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
সম্মান প্রকাশে হাত-পা চুম্বনের বর্ণনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৬৮৮-[১২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৬৮৮-[১২]
وَعَن زارع وَكَانَ فِي وَفْدِ عَبْدِ الْقَيْسِ قَالَ: لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرجله. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
যারি' (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যিনি ‘আবদুল ক্বায়স প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন। যখন আমরা মাদীনায় আগমন করলাম তখন আমরা তাড়াহুড়া করে সওয়ারী হতে অবতরণ করলাম এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাত ও পা চুম্বন করলাম।
[১] হাসান সহীহ : আবূ দাঊদ ৫২২৫, আল আদাবুল মুফরাদ ৯৭৫, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১৩৯৭১, শু‘আবুল ঈমান ৮৯৬৬, ইবনু মাজাহ ৪১৮৮।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৮৮-[১২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল ক্বায়স প্রতিনিধি দলের মাদীনায় আগমনের ঘটনা এসেছে। তারা মাদীনায় পৌঁছে তাড়াহুড়া করে সওয়ারী থেকে নেমে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে ছুটে যান। বর্ণনাকারী বলেন, তারা রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর হাত ও পা চুম্বন করেন। এখানে তাদের গভীর ভালোবাসা, সম্মান এবং আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। হাদিসটি নির্দিষ্ট প্রতিনিধি দলের আচরণ হিসেবে এসেছে, তাই এটিকে সব অবস্থার সাধারণ নিয়ম হিসেবে বাড়িয়ে বলা ঠিক নয়। তবে মূল শিক্ষা হলো, দ্বীনের শিক্ষক, নেতা বা প্রিয়জনের প্রতি সম্মান দেখানো শালীনভাবে হতে পারে। ইসলামে সাক্ষাতের আদব, সালাম, করমর্দন এবং সম্মান—এসবের মধ্যে হৃদয়ের সম্পর্ক প্রকাশ পায়। তাই ভালোবাসা প্রকাশের সময় আবেগ থাকলেও আদব, সম্মান ও সীমা একসাথে রক্ষা করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সম্মান প্রকাশে শালীনতা ও সীমা বজায় রাখা দরকার।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর প্রতি সাহাবীদের ভালোবাসা গভীর ছিল।
- সাক্ষাতে আগ্রহ ও সম্মান মানুষের সম্পর্ককে সুন্দর করে।
- নির্দিষ্ট ঘটনার বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত সাধারণ বিধান বানানো উচিত নয়।
