২৫/৯. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৭৯৬-[১৪] - লজ্জা ও জিহ্বার সংযম
বক্তৃতা ও কবিতা আবৃত্তি - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
লজ্জা ও রসনা সংযম ঈমানের শাখা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৭৯৬-[১৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৭৯৬-[১৪]
وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْحَيَاءُ وَالْعِيُّ شُعْبَتَانِ مِنَ الْإِيمَانِ وَالْبَذَاءُ وَالْبَيَانُ شُعْبَتَانِ مِنَ النِّفَاقِ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উদ্ধৃতিতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন : লজ্জা ও রসনা সংযত রাখা ঈমানের দুটো শাখা। পক্ষান্তরে অশ্লীল ও অপ্রয়োজনীয় কথা বলা মুনাফিকীর দুটো শাখা।
[১] সহীহ : তিরমিযী ২০২৭, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ২৬২৯, মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ্ ৩০৪২৮, মুসনাদে আহমাদ ২২৩১২, আল মুসতাদরাক ১৭, ১৭০; শু‘আবুল ঈমান ৭৭০৬, সহীহুল জামি‘ ৩২০১।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৭৯৬-[১৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, লজ্জা ও রসনা সংযত রাখা ঈমানের দুইটি শাখা। অন্যদিকে অশ্লীল কথা এবং অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা মুনাফিকীর দুইটি শাখা। হাদিসটি কথা বলার আদব খুব স্পষ্ট করে দেয়। একজন মুমিনের ভাষা লজ্জাশীল, সংযত ও পরিষ্কার হওয়া উচিত। বেশি কথা বলা, অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করা, বা এমন কথা বলা যার দরকার নেই—এসব চরিত্রকে দুর্বল করে। এখানে জিহ্বার সংযম শুধু চুপ থাকা নয়; বরং কখন কথা বলতে হবে, কীভাবে বলতে হবে এবং কোন কথা থেকে দূরে থাকতে হবে—তা বোঝা। তাই লজ্জা, কম কথা, ভদ্র ভাষা ও ঈমানের সম্পর্ক এই হাদিসে সুন্দরভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লজ্জা ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ।
- রসনা সংযত রাখা মুমিনের চরিত্রকে সুন্দর করে।
- অশ্লীল ও অপ্রয়োজনীয় কথা থেকে দূরে থাকা দরকার।
