৩০/১১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬১৯১-[৮] - দুনিয়া ও আখিরাতে আয়িশাহ রাঃ
নবী-এর পবিত্র স্ত্রীগণের মর্যাদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
দুনিয়া ও আখিরাতে আয়িশাহ রাঃ-এর মর্যাদা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬১৯১-[৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬১৯১-[৮]
وَعَن عَائِشَة أَن جِبْرِيل جَاءَ بِصُورَتِهَا فِي خِرْقَةِ حَرِيرٍ خَضْرَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «هَذِهِ زَوْجَتُكَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ اسنادہ صحیح، رواہ الترمذی (3880 وقال : حسن غریب) ۔ (صَحِيح)
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন জিবরীল (আঃ) তাঁর আকৃতির উপর একটি জিনিস সবুজ বর্ণের রেশমি কাপড়ে পেঁচিয়ে এনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বললেন, ইনি ইহকালের ও পরকালের আপনার স্ত্রী হবেন।
সহীহ: তিরমিযী ৩৮৮০, সহীহ ইবনু হিব্বান ৭০৯৪।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬১৯১-[৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশাহ রাঃ সম্পর্কে একটি বিশেষ বর্ণনা এসেছে। জিবরীল আঃ সবুজ রেশমি কাপড়ে তাঁর আকৃতি নিয়ে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে আসেন এবং বলেন, ইনি আপনার দুনিয়া ও আখিরাতের স্ত্রী। হাদিসটি আয়িশাহ রাঃ-এর ফজিলত ও সম্মান প্রকাশ করে। এখানে বর্ণনা খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা যোগ করা ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, আয়িশাহ রাঃ নবী صلى الله عليه وسلم-এর জীবনে বিশেষ মর্যাদার অধিকারিণী ছিলেন। একই সঙ্গে এটি নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে ফেরেশতার যোগাযোগের একটি বিশেষ ঘটনা হিসেবেও এসেছে। মুসলিমদের জন্য এতে সাহাবিয়াদের, বিশেষ করে উম্মুল মুমিনীনদের, সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করার শিক্ষা রয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আয়িশাহ রাঃ দুনিয়া ও আখিরাতে নবী صلى الله عليه وسلم-এর স্ত্রী হিসেবে উল্লেখিত হয়েছেন।
- জিবরীল আঃ-এর মাধ্যমে তাঁর মর্যাদার কথা এসেছে।
- উম্মুল মুমিনীনদের সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করা উচিত।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনার বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা থেকে বাঁচা দরকার।
