৪/১২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৮৫৭-[৩৬] - ইমামকে অনুসরণ ও কিরাআতে নীরবতা
সালাতে কিরাআতের বর্ণনা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ইমাম কিরাআত করলে চুপ থাকা ও অনুসরণ করা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৮৫৭-[৩৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৮৫৭-[৩৬]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِه فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوْا. رَوَاهُ أَبُوْ دَاوٗدَ وَالنَّسَائِـيُِّ وابن مَاجَةَ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ইমাম এজন্য নিয়োগ করা হয় যে, তাকে অনুসরণ করা হবে। তাই ইমাম ‘আল্লা-হু আকবার’ বললে তোমরাও ‘আল্লা-হু আকবার’ বলবে। ইমাম যখন ক্বিরাআত তিলাওয়াত করবে, তোমরা চুপ থাকবে। [১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৯৭৩, নাসায়ী ৯২১, ইবনু মাজাহ্ ৮৪৬, সহীহুল জামি‘ ২৩৫৮।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৮৫৭-[৩৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, ইমামকে নিয়োগ করা হয় তাকে অনুসরণ করার জন্য। তাই ইমাম “আল্লাহু আকবার” বললে তোমরাও “আল্লাহু আকবার” বলবে। আর ইমাম যখন কিরাআত করবে, তখন তোমরা চুপ থাকবে। এই হাদিসে জামাতে সালাতের শৃঙ্খলা খুব সহজভাবে বোঝানো হয়েছে। ইমামের কাজ হলো সামনে থেকে সালাত পরিচালনা করা, আর মুসল্লির কাজ হলো তাকে অনুসরণ করা। তাকবিরে অনুসরণ এবং কিরাআতের সময় নীরব থাকা—এই দুইটি বিষয় এই বর্ণনায় সরাসরি এসেছে। তাই ইমাম অনুসরণ ও কিরাআতে চুপ থাকা এই হাদিসের মূল শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমামকে অনুসরণ করার জন্যই ইমাম করা হয়।
- ইমাম তাকবির বললে মুসল্লিরাও তাকবির বলবে।
- ইমাম কিরাআত করলে চুপ থাকার নির্দেশ এসেছে।
- জামাতে সালাতে শৃঙ্খলা ও একতা রক্ষা করা দরকার।
