৫/৫৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪২৫ - কিরাআতে সমান হলে বড়জনের ইমামত
ইমামতির জন্য বেশী যোগ্য কে?
কিরাআতে সমান হলে বয়সে বড়জনের ইমামতের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ১৪২৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৪২৫
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا حَفْصٌ، - يَعْنِي ابْنَ غِيَاثٍ - حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَزَادَ قَالَ الْحَذَّاءُ وَكَانَا مُتَقَارِبَيْنِ فِي الْقِرَاءَةِ .
খালিদ আল হায্যা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একই সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে হাফ্সা ইবনু গিয়াস এতটুকু কথা অতিরিক্ত বলেছেন যে, হায্যা (রহঃ) বলেছেন, তাঁরা উভয়ে (মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস এবং তার বন্ধু) কিরাআতের ব্যাপারে সমকক্ষ ছিলেন |
ই.ফা. ১৪১০, ই.সে. ১৪২১
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পূর্বের বর্ণনার সঙ্গে একটি অতিরিক্ত তথ্য এসেছে। মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস (রা.) এবং তাঁর সঙ্গীকে নবী (صلى الله عليه وسلم) সালাতের সময় আজান, ইকামত এবং বয়সে বড়জনের ইমামতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই বর্ণনায় হাফস ইবনু গিয়াস অতিরিক্তভাবে উল্লেখ করেছেন যে, তাঁরা দুজন কিরাআতের ব্যাপারে সমকক্ষ ছিলেন। এই তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অন্য বর্ণনাগুলোতে ইমামতের ক্ষেত্রে কুরআন জানা ও কিরাআতের অগ্রাধিকার এসেছে। এখানে যেহেতু দুজন কিরাআতে সমান ছিলেন, তাই বয়সে বড়জনকে ইমাম করার নির্দেশ স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। হাদিসটি ইমাম নির্বাচনে যোগ্যতা, সমতা এবং বয়সের বিবেচনাকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিরাআতে সমকক্ষ হলে বয়সে বড়জনকে ইমাম করা যেতে পারে।
- ইমাম নির্বাচনে কিরাআতের যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।
- আজান ও ইকামতের মাধ্যমে সালাতের শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
- বর্ণনার অতিরিক্ত তথ্য মূল নির্দেশনা বুঝতে সাহায্য করে।
