১/৪১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭৭ - যুদ্ধক্ষেত্রে ঈমানের ঘোষণার মূল্য
যে কাফির ব্যক্তি বলল, তাকে হত্যা করা হারাম
যুদ্ধক্ষেত্রেও ঈমানের ঘোষণা অবহেলার বিষয় নয়
সহীহ মুসলিম : ১৭৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৭৭
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَطَاءُ بْنُ يَزِيدَ اللَّيْثِيُّ، ثُمَّ الْجُنْدَعِيُّ أَنَّ عُبَيْدَ، اللَّهِ بْنَ عَدِيِّ بْنِ الْخِيَارِ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْمِقْدَادَ بْنَ عَمْرِو بْنِ الأَسْوَدِ الْكِنْدِيَّ - وَكَانَ حَلِيفًا لِبَنِي زُهْرَةَ وَكَانَ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ - أَنَّهُ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ لَقِيتُ رَجُلاً مِنَ الْكُفَّارِ ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ اللَّيْثِ .
মিকদাদ ইবনু ‘আমর ইবনু আসওয়াদ আল কিন্দী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যুহরী গোত্রের পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন এবং বদরের যুদ্ধ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরজ করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! যদি আমি যুদ্ধের ময়দানে কোন কাফেরের সম্মুখীন হই। বাকি অংশ লায়স বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ
ই.ফা. ১৭৮; ই.সে. ১৮৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় মিকদাদ ইবনু আমর (রাঃ)-এর পরিচয় উল্লেখ করে আগের হাদিসের অনুরূপ ঘটনা বলা হয়েছে। তিনি বদরের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে ছিলেন। প্রশ্নটি ছিল যুদ্ধক্ষেত্রে এমন এক ব্যক্তিকে নিয়ে, যে লড়াইয়ের পর ইসলাম গ্রহণের কথা বলে। এই বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো, যুদ্ধের কঠিন সময়েও কেউ যদি ঈমানের কথা বলে, তার কথাকে গুরুত্ব দিতে হবে। ইসলাম শুধু শক্তি প্রয়োগের ধর্ম নয়; বরং প্রাণের মর্যাদা, সতর্ক বিচার এবং কালিমার সম্মান শেখায়। ব্যক্তিগত ক্ষতি, রাগ বা যুদ্ধের চাপ কাউকে ঈমানের ঘোষণা উপেক্ষা করার অনুমতি দেয় না। এই হাদিস কালিমার সম্মানকে শক্তভাবে মনে করিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যুদ্ধের সময়েও ঈমানের ঘোষণা গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।
- ব্যক্তিগত আঘাতের কারণে শরীয়তের সীমা ভাঙা যায় না।
- কালিমা উচ্চারণের পর মানুষের প্রাণের মর্যাদা বেড়ে যায়।
- মুসলিমকে সিদ্ধান্তে সতর্ক ও ন্যায়ভিত্তিক হতে হবে।
