২১/১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৬৬৭ - ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ
দাসের প্রয়োজন পূরণের বর্ণনা
দাসমুক্তিতে ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৩৬৬৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৬৬৭
حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، سَمِعْتُ قَتَادَةَ، يُحَدِّثُ بِهَذَا الإِسْنَادِ بِمَعْنَى حَدِيثِ ابْنِ أَبِي عَرُوبَةَ وَذَكَرَ فِي الْحَدِيثِ قُوِّمَ عَلَيْهِ قِيمَةَ عَدْلٍ
ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি কাতাদাহ্ (রহঃ)- কে এ সানাদে ইবনু আবূ আরূবাহ্- এর হাদীসের মর্মানুযায়ী হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি তাঁর বর্ণনায় উল্লেখ করেন, “ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নিরূপণ করতে হবে।“
ই.ফা. ৩৬৩৩, ই.সে. ৩৬৩৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৬৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কাতাদা (রহঃ)-এর বর্ণনায় আগের হাদিসের অর্থের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা এসেছে—ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নিরূপণ করতে হবে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, দাসমুক্তি বা মুক্তির সঙ্গে জড়িত আর্থিক বিষয়ে অবিচার করা যাবে না। মূল্য নির্ধারণে কম-বেশি করে কারও অধিকার নষ্ট করা ঠিক নয়। দাসমুক্তির বিধান শুধু আবেগের বিষয় নয়; এতে ন্যায্য মূল্য, মালিকানা অধিকার এবং শরীয়তের নিয়ম মানার বিষয়ও আছে। তাই এই হাদিসে ‘ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য’ এবং ‘দাসমুক্তির বিধান’—দুইটি দিক স্পষ্ট হয়। কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে তা ন্যায়ভিত্তিক হতে হবে, বিশেষ করে যখন অন্যের অধিকার ও সম্পদের বিষয় জড়িত থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাসমুক্তির ক্ষেত্রে ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
- অন্যের অধিকার জড়িত থাকলে ইনসাফের সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
- আর্থিক বিষয়ে শরীয়তের নিয়ম ও ন্যায্যতা দুটোই মানা জরুরি।
