১২/২১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১০৫৯ - রুকুতে রফউল ইয়াদাইন
রুকূ‘ হতে মাথা উঠানোর সময় ইমাম কি বলবেন?
সালাত শুরু ও রুকুতে কাঁধ পর্যন্ত হাত তোলার নিয়ম
সুনানে আন-নাসায়ী : ১০৫৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১০৫৯
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلَاةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ، وَإِذَا كَبَّرَ لِلرُّكُوعِ، وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ رَفَعَهُمَا كَذَلِكَ أَيْضًا، وَقَالَ: «سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ»، وَكَانَ لَا يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي السُّجُودِ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সালাত শুরু করতেন, তখন তাঁর দু'হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠাতেন। আর যখন রুকূ'র জন্যে তাকবির বলতেন এবং রুকূ' হতে তাঁর মাথা উঠাতেন, তখন দু'হাত এরূপ উঠাতেন এবং বলতেন- “সামি'আল্ল-হু লিমান হামিদাহ, রব্বানা- ওয়া লাকাল হাম্দ" (যে বান্দা আল্লাহর হাম্দ বা প্রশংসা করে আল্লাহ তার হাম্দ শ্রবণ করেন, হে আমাদের পালনকর্তা! প্রশংসা তোমারই জন্যে) আর সিজদায় এরূপ করতেন না।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১০৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবন উমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সালাতে হাত তোলার পদ্ধতি বর্ণনা করেছেন। নবী صلى الله عليه وسلم সালাত শুরু করার সময় দুহাত কাঁধ পর্যন্ত তুলতেন। রুকুর তাকবির বলার সময়ও একইভাবে হাত তুলতেন এবং রুকু থেকে মাথা ওঠানোর সময় আবার তুলতেন। তখন তিনি “সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ, রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ” বলতেন। বর্ণনায় আরও আছে, সিজদায় তিনি এভাবে হাত তুলতেন না। এই হাদিস রফউল ইয়াদাইনের সময়, হাতের উচ্চতা এবং রুকুর পরের যিকির—তিনটি বিষয় পরিষ্কার করে। ব্যাখ্যার সময় শুধু বর্ণিত অবস্থাগুলোই বলা উচিত। নামাজে ধাপগুলোর ক্রম মনে রাখতে এটি সহায়ক: শুরু, রুকুতে যাওয়া, রুকু থেকে ওঠা এবং আল্লাহর প্রশংসা করা। এতে সালাতের চলন ও যিকির সুন্দরভাবে একত্র হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত শুরুতে কাঁধ পর্যন্ত হাত তোলার কথা এসেছে।
- রুকুতে যাওয়ার ও ওঠার সময়ও হাত তোলা হয়েছে।
- রুকুর পর “সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ” ও হামদ বলা হয়েছে।
- সিজদায় এভাবে হাত না তোলার বর্ণনা রয়েছে।
