২১/১৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৮৪৮ - পরিবারের ক্রন্দন ও মৃতের শাস্তি

মৃতের জন্য ক্রন্দনের নিষেধাজ্ঞা

পরিবারের ক্রন্দনে মৃতের শাস্তি: হাদিসের সতর্কবার্তা

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৮৪৮

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْمَيِّتُ يُعَذَّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ»

উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

ইবনু 'উমার (রাঃ) 'উমর (রাঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি (ﷺ) বলেছেন: পরিবারবর্গের ক্রন্দনের কারণে মৃতকে শাস্তি দেয়া হয়।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৮৪৮-এর সারসংক্ষেপ

এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি সতর্কবাণী এসেছে: পরিবারবর্গের ক্রন্দনের কারণে মৃতকে শাস্তি দেওয়া হয়। বর্ণনাটি ছোট হলেও এর ভাষা গুরুতর। তাই ব্যাখ্যার সময় হাদিসের বক্তব্যের বাইরে গিয়ে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির অবস্থা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক নয়। এখানে পরিবারের ক্রন্দন বলতে বর্ণনায় যে ধরনের শোকপ্রকাশের কথা বলা হয়েছে, সেটিই আলোচনার কেন্দ্র। পরের বর্ণনাগুলোতে এই কথার ব্যাখ্যা ও আয়িশা (রাঃ)-এর ভিন্নভাবে শোনা ঘটনার উল্লেখ আছে। তবে এই হাদিস নিজে শুধু সতর্কবার্তাটি জানিয়েছে। সহজভাবে বললে, মৃত্যুতে শোক স্বাভাবিক হলেও এমন ক্রন্দন থেকে সাবধান থাকা দরকার, যা হাদিসে শাস্তির কারণ হিসেবে এসেছে। মূল শিক্ষা হলো শোককে সংযত রাখা এবং রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সতর্কতাকে হালকাভাবে না নেওয়া।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হাদিসটি পরিবারের ক্রন্দন সম্পর্কে কঠোর সতর্কতা দিয়েছে।
  • কোনো মৃত ব্যক্তির নির্দিষ্ট পরিণতি নিয়ে নিজের থেকে সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত নয়।
  • শোকের সময় সংযম রাখা এই সতর্কতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
  • সংক্ষিপ্ত হাদিসের ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি যোগ করা থেকে বিরত থাকা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন