২২/৩৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২০৫ - সওয়াবের আশায় রমজানের রোজার ফজিলত
যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রমাযান মাসে রাতের সলাত আদায় করে এবং সওম পালন করে তার সাওয়াব - এ বিষয়ে যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) থেকে রিওয়ায়াত বর্ণনায় ইখতিলাফ
রোজা রাখলে গুনাহ মাফ: রমজানের সিয়ামের মূল শর্ত
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২০৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২০৫
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُنْذِرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ صَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমাযান মাসের সাওম পালন করে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) রমজানের রোজার সঙ্গে দুটি বিষয় জুড়ে দিয়েছেন: ঈমান এবং সওয়াবের আশা। অর্থাৎ রোজা রাখতে হবে আল্লাহর নির্দেশ মেনে এবং প্রতিদান তাঁর কাছ থেকে পাওয়ার আশা নিয়ে। এভাবে সিয়াম পালন করলে আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়ার সুসংবাদ এসেছে। হাদিসটি দেখায়, একটি ইবাদতের মূল্য শুধু বাহ্যিক কাজ দিয়ে বোঝা যায় না; অন্তরের উদ্দেশ্যও গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যদি মানুষের প্রশংসা, পারিবারিক চাপ বা নিছক অভ্যাসে রোজা রাখে, তাহলে এই বর্ণনায় বলা ঈমান ও সওয়াবের আশার দিকটি পূর্ণ হয় না। তাই রমজানের প্রতিদিন নিজের নিয়ত মনে করা ভালো: আমি আল্লাহর জন্য রোজা রাখছি। এই সচেতনতা রোজাকে অর্থপূর্ণ করে এবং ক্ষমার আশা জাগায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোজার আগে ও চলাকালে নিয়ত সচেতন রাখা জরুরি।
- আল্লাহর আদেশ মেনে সিয়াম পালন করতে হবে।
- সওয়াবের আশা আন্তরিক রোজার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
- এমন রোজা আগের গুনাহ ক্ষমার কারণ হতে পারে।
