২২/৫৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩০৫ - নিয়মিত রোজাদারের জন্য সফরের ছাড়
এ প্রসঙ্গে হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহিমাহুল্লাহ)-এর বর্ণনাভেদের উল্লেখ
নিয়মিত রোজাদার সফরে কী করবেন? সাওমের সহজ বিধান
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৩০৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩০৫
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ اللَّانِيُّ، بِالْكُوفَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ الرَّازِيُّ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي رَجُلٌ أَصُومُ، أَفَأَصُومُ فِي السَّفَرِ؟ قَالَ: «إِنْ شِئْتَ فَصُمْ، وَإِنْ شِئْتَ فَأَفْطِرْ»
হামযাহ্ ইবনু 'আম্র (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হে আল্লাহর রাসূল! আমি সর্বদা সাওম পালনকারী, আমি কি মুসাফির অবস্থায় সাওম পালন করব? তিনি (ﷺ) বললেন: তোমার ইচ্ছা হলে সাওম পালন কর, আর ইচ্ছা হলে ভঙ্গ করে ফেল।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় প্রশ্নকারী নিজেকে নিয়মিত সাওম পালনকারী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর জানতে চাওয়ার বিষয় ছিল, মুসাফির অবস্থায়ও তিনি সাওম পালন করবেন কি না। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাঁকে বলেন, ইচ্ছা হলে সাওম পালন করো, আর ইচ্ছা হলে ভেঙে দাও। এতে বোঝা যায়, কেউ বেশি বা নিয়মিত সাওম রাখলেও সফরের সুযোগ তাঁর জন্য বন্ধ হয়ে যায় না। আবার তাঁর অভ্যাস ও সামর্থ্য থাকলে সফরেও সাওম চালিয়ে যাওয়ার পথ খোলা থাকে। মুসাফিরের রোজার বিধান এখানে ব্যক্তির জন্য সহজ রাখা হয়েছে। হাদিসে কোনো পক্ষকে নিন্দা করা হয়নি এবং একটি সিদ্ধান্তকে বাধ্যতামূলক বলা হয়নি। তাই মূল বক্তব্য হলো, নিয়মিত রোজাদারও সফরে নিজের অবস্থা ও ইচ্ছা অনুযায়ী সাওম রাখা বা ভাঙার সুযোগ পান।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নিয়মিত সাওম পালনকারীর জন্যও সফরের ছাড় রয়েছে।
- অভ্যাস ও সামর্থ্য থাকলে সফরে সাওম রাখা যায়।
- ইচ্ছা হলে মুসাফির সাওম ভেঙে দিতে পারেন।
