২২/৬৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩১৯ - শাবানে রমজানের কাযা রোজা

ঋতুবতী মহিলার জন্য সওম মূলতবি করা

রমজানের কাযা রোজা শাবান পর্যন্ত দেরি করার বর্ণনা

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩১৯

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «إِنْ كَانَ لَيَكُونُ عَلَيَّ الصِّيَامُ مِنْ رَمَضَانَ فَمَا أَقْضِيهِ حَتَّى يَجِيءَ شَعْبَانُ»

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমার ওপর রমাযানের সাওম অনাদায়ী থেকে গেলে আমি তা শা'বান মাস না আসা পর্যন্ত ক্বাযা করতাম না।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩১৯-এর সারসংক্ষেপ

আয়িশা (রাঃ) বলেন, তাঁর ওপর রমজানের সাওম অনাদায়ী থাকলে তিনি শাবান মাস আসার আগে তা কাযা করতেন না। এই হাদিসের মূল বিষয় রমজানের কাযা রোজার সময়। বর্ণনায় দেখা যায়, বাদ পড়া সাওম সঙ্গে সঙ্গে কাযা না হয়ে পরের শাবান মাস পর্যন্ত দেরি হয়েছে। তবে কেন তিনি দেরি করতেন, এই পাঠে তার কোনো কারণ উল্লেখ নেই। তাই কারণ অনুমান করা বা হাদিসে নেই এমন বিস্তারিত যোগ করা ঠিক হবে না। একইভাবে কত দিন দেরি করা বাধ্যতামূলক বা কোন দিনগুলো বেছে নিতে হবে—সেটিও এখানে বলা হয়নি। এই বর্ণনা থেকে সরাসরি জানা যায়, আয়িশা (রাঃ) তাঁর অনাদায়ী রমজানের সাওম শাবান মাসে কাযা করতেন। কাযা রোজা নিয়ে আলোচনায় এটি সময়ের একটি বাস্তব উদাহরণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রমজানের অনাদায়ী সাওম পরে কাযা করা হয়।
  • আয়িশা (রাঃ) শাবান মাসে তাঁর কাযা সাওম আদায় করতেন।
  • হাদিসে দেরির কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
  • বর্ণনায় না থাকা সময়সীমা বা কারণ নিজের পক্ষ থেকে যোগ করা উচিত নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন