২৪/৮১. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৮২৬ - শিকারে ইশারা বা সাহায্য করলে বিধান

যখন মুহরিম ব্যক্তি শিকারের দিকে ইশারা করে তখন হালাল ব্যক্তি তা শিকার করে

শিকারে ইশারা বা সাহায্য না করলে মুহরিমের জন্য কী বিধান?

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৮২৬

أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي قَتَادَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُمْ كَانُوا فِي مَسِيرٍ لَهُمْ، بَعْضُهُمْ مُحْرِمٌ وَبَعْضُهُمْ لَيْسَ بِمُحْرِمٍ، قَالَ: فَرَأَيْتُ حِمَارَ وَحْشٍ فَرَكِبْتُ فَرَسِي، وَأَخَذْتُ الرُّمْحَ فَاسْتَعَنْتُهُمْ فَأَبَوْا أَنْ يُعِينُونِي، فَاخْتَلَسْتُ سَوْطًا مِنْ بَعْضِهِمْ، فَشَدَدْتُ عَلَى الْحِمَارِ فَأَصَبْتُهُ، فَأَكَلُوا مِنْهُ فَأَشْفَقُوا، قَالَ: فَسُئِلَ عَنْ ذَلِكَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «هَلْ أَشَرْتُمْ أَوْ أَعَنْتُمْ؟» قَالُوا: لَا، قَالَ: «فَكُلُوا»

আবূ কৃতাদাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

'উসমান ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু মাওহাব (রহঃ) বলেন, আমি 'আবদুল্লাহকে তার পিতা আবূ কৃতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তাঁরা এক সফরে ছিলেন। তাঁদের কেউ কেউ মুহরিম ছিলেন আর কেউ কেউ মুহরিম ছিলেন না। তিনি বলেন, আমি একটি বন্য গাধা দেখতে পেলাম। আমি ঘোড়ায় চড়ে বর্শা নিলাম এবং তাঁদের সাহায্য চাইলাম। কিন্তু তাঁরা তা করতে অস্বীকার করলেন।তারপর আমি তাঁদের একজনের নিকট থেকে একটি তীর কেড়ে নিয়ে ঐ গাধাকে নিক্ষেপ করলাম এবং তাকে ধরে ফেললাম। তাঁরা তা থেকে খেলেন এবং অবৈধ হওয়ার ভয়ও করলেন। বর্ণনাকারী বলেন: নাবী (ﷺ)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন : তোমরা কি তার দিকে ইশারা অথবা সাহায্য করেছিলে? তাঁরা বললেন : না। তিনি (ﷺ) বললেন : তা হলে খাও।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৮২৬-এর সারসংক্ষেপ

কোর টপিক: শিকার সহায়তা। এই হাদিসে বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে এসেছে। সফরে কিছু লোক মুহরিম ছিলেন, আর কিছু লোক মুহরিম ছিলেন না। আবু কাতাদাহ (রাঃ) একটি বন্য গাধা দেখেন, ঘোড়ায় চড়েন, বর্শা নেন এবং সঙ্গীদের সাহায্য চান। তারা সাহায্য করতে অস্বীকার করেন। পরে তিনি নিজে শিকার করেন। তারা গোশত খাওয়ার পর ভয় পেয়ে যান যে, এতে কোনো সমস্যা হলো কি না। নবী صلى الله عليه وسلم-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানতে চান, “তোমরা কি তার দিকে ইশারা অথবা সাহায্য করেছিলে?” তারা বললেন, না। তখন তিনি صلى الله عليه وسلم বললেন, “তা হলে খাও।” এই হাদিস “মুহরিমের শিকার খাওয়া” বিষয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে ইশারা ও সাহায্য না করার শর্ত স্পষ্টভাবে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মুহরিম ব্যক্তি শিকারে ইশারা বা সাহায্য করলে বিষয়টি আলাদা হতে পারে।
  • সাহাবীরা শিকার নিয়ে সন্দেহ হলে নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে জিজ্ঞেস করেছেন।
  • নবী صلى الله عليه وسلم শর্ত জেনে তারপর খাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন।
  • ইহরামের বিধানে সাহায্য করা ও না করার পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন