২/৯৩. অধ্যায়ঃ
নামায, ইলম শিক্ষা তথা অন্যান্য ইবাদতে ধীর-স্থিরতা ও গাম্ভীর্যের সাথে গিয়ে যোগদান করা উত্তম
আল্লাহ তা’আলা বলেন,﴿ ذَٰلِكَۖ وَمَن يُعَظِّمۡ شَعَٰٓئِرَ ٱللَّهِ فَإِنَّهَا مِن تَقۡوَى ٱلۡقُلُوبِ ٣٢ ﴾ [الحج: ٣٢]অর্থাৎ “কেউ আল্লাহর (দ্বীনের) প্রতীকসমূহের সম্মান করলে এটা তো তার হৃদয়ের তাক্বওয়া (সংযমশীলতা)রই বহিঃপ্রকাশ।” (সূরা হজ্জ্ব ৩২ আয়াত)
রিয়াদুস সলেহিন : ২/৭১০
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ২/৭১০
وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أنَّهُ دَفَعَ مَعَ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ عَرَفَةَ فَسَمِعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَرَاءهُ زَجْراً شَديداً وَضَرْباً وَصَوْتاً للإِبْلِ، فَأشَارَ بِسَوْطِهِ إلَيْهِمْ، وَقَالَ: «يَا أيُّهَا النَّاسُ، عَلَيْكُمْ بالسَّكِينَةِ، فَإنَّ الْبِرَّ لَيْسَ بالإيضَاعِ ». رواه البخاري، وروى مسلم بعضه .
ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ) এর সঙ্গে আরাফার দিনে (মুযদালিফা) ফিরছিলেন। এমন সময় নবী (ﷺ) পিছন থেকে (উটকে) কঠিন ধমক ও মারধর করার এবং উঁটের (কষ্ট) শব্দ শুনতে পেলেন। তৎক্ষণাৎ তিনি তাদের দিকে আপন চাবুক দ্বারা ইশারা করে বললেন, ’’হে লোক সকল! তোমরা ধীরতা ও স্থিরতা অবলম্বন কর। কেননা, দ্রুত গতিতে বাহন দৌড়ানোতে পুণ্য নেই।’’ (বুখারী ও মুসলিম কিছু অংশ)[১]
সহীহুল বুখারী ১৬৭১, মুসলিম ১২৮২, নাসায়ী ৩০১৮, ৩০১৯, ৩০২০, ৩০২১, আবূ দাউদ ১৯২০, আহমাদ ১৭৯৪, ১৮০১, ১৮২৪, ২০৮৩, ২১৯৪, ২২৬৪, ২৪২৩, ২৫০৩, ৩২৯৯
