আজীবন দান
মোট হাদিস ২৩
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، قَالَ حَدَّثَنِي النَّضْرُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «الْعُمْرَى جَائِزَةٌ». وَقَالَ عَطَاءٌ حَدَّثَنِي جَابِرٌ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ نَحْوَهُ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘উমরাহ বৈধ। ‘আতা (রহঃ) বলেন, জাবির (রাঃ) আমাকে নবী (ﷺ) হতে একই রকম হাদীস শুনিয়েছেন।
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لاَ عُمْرَى فَمَنْ أُعْمِرَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ জীবনস্বত্ব বলতে কিছু নেই। তবে কাউকে জীবনস্বত্ব দেয়া হলে সেটা তারই প্রাপ্য।
[২৩৭৯] মুসলিম ১৬২৬, নাসায়ী ৩৭৫২, ৩৭৫৩, আহমাদ ৯২৬১, ৯৯৭২, ইরওয়া ৬/৫০। তাহকীক আলবানী (রহঃ)ঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদীসের রাবী আবু আমর বিন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হুরায়স সম্পর্কে ইবনু হিব্বান (রহঃ) বলেন, তিনি সিকাহ তবে ইমাম যাহাবী (রহঃ) বলেন, তাঁর পরিচয় সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। আবু হাতিম বিন হিব্বান (রহঃ) বলেন, তিনি হাদীস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবরাহীম বিন ইয়াকুব আল-জাওযুজানী (রহঃ) বলেন, তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী (রহঃ) বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদীস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। ইমাম দারাকুতনী (রহঃ) তাঁকে দুর্বল বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫১৩, ২৬/২১২ নং পৃষ্ঠা)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «الْعُمْرَى جَائِزَةٌ» .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘সারা জীবনের জন্যে দান বৈধ’।
ই.ফা. ৪০৫৬, ই.সে. ৪০৫৫
وَحَدَّثَنِيهِ يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ - حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ «مِيرَاثٌ لأَهْلِهَا». أَوْ قَالَ «جَائِزَةٌ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তবে সা’ঈদ বলেছেন, তার পরিজনদের জন্যে মীরাস হয়ে যায় অথবা বলেছেন (আজীবনের জন্যে) জায়িয।
ই.ফা. ৪০৫৭, ই.সে. ৪০৫৬
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لاَ رُقْبَى فَمَنْ أُرْقِبَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ حَيَاتَهُ وَمَمَاتَهُ " . قَالَ وَالرُّقْبَى أَنْ يَقُولَ هُوَ لِلآخَرِ مِنِّي وَمِنْكَ مَوْتًا.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ রুকবা বলতে কিছু নেই। তবে কারো অনুকূলে কিছু রুকবা (এক প্রকার দান) করা হলে তার জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরও সে তার মালিক হবে। রাবী বলেন, রুকবা এই যে, দানকারী বললো, “আমার ও তোমার মধ্যে যে শেষে মরবে এটা তার। ”
[২৩৮২] নাসায়ী ৩৭৩২, ইরওয়া ৬/৫৪। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَضَى النَّبِيُّ ﷺ بِالْعُمْرَى أَنَّهَا لِمَنْ وُهِبَتْ لَهُ.
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ‘উমরাহ (বস্তু) সম্পর্কে ফায়সালা দিয়েছেন যে, যাকে দান করা হয়েছে, সে-ই সেটার মালিক হবে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ " مَنْ أَعْمَرَ رَجُلاً عُمْرَى لَهُ وَلِعَقِبِهِ فَقَدْ قَطَعَ قَوْلُهُ حَقَّهُ فِيهَا فَهِيَ لِمَنْ أُعْمِرَ وَلِعَقِبِهِ " .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে জীবনস্বত্ব দান করলে তা তার এবং তার ওয়ারিসদের। দানকারীর কথা তাতে তার অধিকার কর্তন (অবসান) করে দিয়েছে। অতএব যাকে জীবনস্বত্ব দান করা হয়েছে তার ও তার ওয়ারিসদের প্রাপ্য।
[২৩৮০] সহীহুল বুখারী ২৬২৫, মুসলিম ১৬২৫, তিরমিযী ১৩৫০, ১৩৫১, নাসায়ী ৩৭২৭, ৩৭৩১, ৩৭৩৬, ৩৭৩৭, ৩৭৪০, ৩৭৪১, ৩৭৪২, ৩৭৪৪, ৩৭৪৫, ৩৭৪৬, ৩৭৪৭, ৩৭৪৮, ৩৭৮৯, আবূ দাউদ ৩৫৫০, ৩৫৫১, ৩৫৫৩, ৩৫৫৫, ৩৫৫৬, ৩৫৫৮, আহমাদ ১৪৬৫৯, ১৪৮৬৬, মুয়াত্তা মালেক ১৪৭৯, বায়হাকী ফিস সুনান ৬/৭৪, ১৭২, ইবনু হিব্বান ১৫৩৭, ইরওয়া ৬/৪৯, ৫০। তাহকীক আলবানী (রহঃ)ঃ সহীহ।
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، - وَاللَّفْظُ لِعَبْدٍ - قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ، الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ إِنَّمَا الْعُمْرَى الَّتِي أَجَازَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنْ يَقُولَ هِيَ لَكَ وَلِعَقِبِكَ . فَأَمَّا إِذَا قَالَ هِيَ لَكَ مَا عِشْتَ . فَإِنَّهَا تَرْجِعُ إِلَى صَاحِبِهَا . قَالَ مَعْمَرٌ وَكَانَ الزُّهْرِيُّ يُفْتِي بِهِ .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন যে ‘আজীবন কালের জন্যে দান’ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কার্যকরী বলে গণ্য করেছেন, তা হল এই যে, সে বলে, “এ তোমার ও তোমার উত্তরাধিকারীদের জন্যে।" কিন্তু সে যদি বলে যে, এ তোমার জন্যে যতদিন তুমি বেঁচে থাকবে, তবে তা তার মালিকের নিকট ফিরে আসবে (প্রদত্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর)। মা’মার বলেন, যুহরী এ ফাতাওয়াই দিতেন।
ই.ফা. ৪০৪৬, ই.সে. ৪০৪৫
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، يَرْفَعُهُ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আহমাদ ইবনু ইউনুস, যুহায়র, আবূ যুবায়র, জাবির (রাঃ) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন।
ই.ফা. ৪০৫০, ই.সে. ৪০৪৯
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «أَمْسِكُوا عَلَيْكُمْ أَمْوَالَكُمْ وَلاَ تُفْسِدُوهَا فَإِنَّهُ مَنْ أَعْمَرَ عُمْرَى فَهِيَ لِلَّذِي أُعْمِرَهَا حَيًّا وَمَيِّتًا وَلِعَقِبِهِ».
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা তোমাদের সম্পত্তি ধরে রেখো, তা বিনষ্ট করো না। নিশ্চয় যে ব্যক্তি সারা জীবনের জন্যে দান করে, তবে তা তারই হয়ে যাবে, যাকে দান করা হলো, জীবিত অবস্থায় ও মৃত অবস্থায় এবং তার পরবর্তী উত্তরাধিকারীদের জন্যে।
ই.ফা. ৪০৫০, ই.সে. ৪০৪৯
