৪৬/৬৬. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৮৯৯ - হিজরত ও আনসারদের মর্যাদা
আনসারগণের ও কুরাইশদের মর্যাদা
আনসারদের মর্যাদা: হিজরত না থাকলে নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁদের একজন হতেন
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৮৯৯
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৮৯৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنِ الطُّفَيْلِ بْنِ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لَوْلاَ الْهِجْرَةُ لَكُنْتُ امْرَأً مِنَ الأَنْصَارِ " .
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যদি দ্বীন ইসলামে হিজরাত না থাকত তাহলে আমি আনসারদের একজনই হতাম।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৮৯৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) আনসারদের মর্যাদা খুব সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, যদি দ্বীন ইসলামে হিজরত না থাকত, তাহলে তিনি আনসারদের একজন হতেন। কথাটি ছোট, কিন্তু এতে আনসারদের প্রতি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর ভালোবাসা ও সম্মান প্রকাশ পায়। হিজরত ইসলামের একটি বড় বিষয়, আর আনসাররা মদিনায় মুহাজিরদের সাহায্য করেছিলেন। তবে এই হাদিসে আমরা অতিরিক্ত ঘটনা যোগ না করে শুধু এতটুকুই বুঝি—নবী (صلى الله عليه وسلم) আনসারদের সম্মানিত করেছেন এবং তাঁদের সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠতা প্রকাশ করেছেন। তাই এই বর্ণনা আনসারদের ফজিলত, হিজরতের মর্যাদা এবং ইসলামী ভ্রাতৃত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়। এই কারণে আনসারদের নাম এলে মুসলিম হৃদয়ে ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা এবং সম্মানের অনুভূতি থাকা উচিত। এতে হিজরত ও আনসারদের সম্পর্কের সম্মান খুব সংক্ষিপ্ত ভাষায় প্রকাশ পেয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আনসারদের প্রতি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বিশেষ ভালোবাসা ছিল।
- হিজরত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে।
- সাহায্যকারী দলকে সম্মান দেওয়া নবীজির আদবের অংশ।
